ঢাকা, সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
ডেইলি বাংলাদেশের অডিও সার্ভিস চালু
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক...

সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪৩, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

৩৮ বার পঠিত

খবরটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

খালেদা জিয়াকে ‘পরিত্যক্ত ও নির্জন’ কারাগা‌রে রেখে সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএন‌পি মহাস‌চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‌তি‌নি ব‌লেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দেশনেত্রীকে সম্পূর্ণ একা নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে। ফলে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এজন্য তাদের (সরকার) বিচার হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই কর্মসূচি থেকে আমরা শপথ নেই, জনতার উত্তাল তরঙ্গের মধ্য দিয়ে দেশনেত্রীকে জেল থেকে মুক্ত করে আনব। সেই লক্ষ্য আন্দোলনকে আরো বেগবান করি।

তি‌নি ব‌লেন, খালেদা জিয়াকে জেলে নিয়ে সরকার ভেবেছে বাংলাদেশের মানুষকে স্তব্ধ করা যাবে, দাবিয়ে রাখা যাবে, সেটা যাবে না। তারা (জনগণ) কারাগারে থেকে খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্ত করে আনবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে তাদের নেতা (শেখ মুজিবুর রহমান) মিথ্যা মামলার কারাগারে বন্দি ছিলেন। মানুষ তাকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিল। আর খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের নেত্রী। এদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। রাজপথে নামলে লাখ লাখ মানুষ তার পিছনে আসে।

আওয়ামী লীগের সরকার সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। এর জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা। সারা দেশে প্রায় ১৫ লাখ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

আমরা পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, আমাদের এই লড়াই ও সংগ্রাম দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আনবার লড়াই। এই লড়াই নেতা-কর্মীদের মুক্ত করবার লড়াই। বাংলাদেশের মানুষ এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করবার লড়াই।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে তিন দিন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। যারা খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রেখেছেন তাদের বিচার চাই।

দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আন্দোলন ছাড়া দেশনেত্রীকে মুক্ত করার আর কোনো বিকল্প পথ নেই। কিন্তু এর সঙ্গে আইনি লড়াইও চলবে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়া জেলে বন্দি মানে বাংলাদেশের গণতন্ত্র বন্দি। খালেদাকে জেলে রেখে দেশ পরাধীন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের জনগণ সেটা হতে দেবে না।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিচারের নামে প্রহসন করে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে। সুতরাং আমরা সুবিচার পাইনি। এরকম অত্যাচারী সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সুবিচার পাওয়ার আশা করা বোকামি। এরপরও আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই আইনি লড়াই করছি।

অবস্থান কর্মসূচিতে আরো উপ‌স্থিত ছি‌লেন ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভো‌কেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভো‌কেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভো‌কেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন,সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ওমর ফারুক মুন্না প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে

সর্বাধিক পঠিত
ওপরে যেতে