Alexa সরকার ভন্ড ও লুটেরাদের: মান্না

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৩ ১৪২৬,   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪০

সরকার ভন্ড ও লুটেরাদের: মান্না

 প্রকাশিত: ১৪:০১ ২৩ মার্চ ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দেশে এখন ভণ্ড ও লুটেরাদের সরকার। তারা জনগণের সঙ্গে ভণ্ডামি করছে।

সরকার বলছে আমরা নাকি উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করেছি। আর গত পরশু অর্থমন্ত্রী বললেন আমরা নিম্ন আয়ের দেশ থেকে ২০২৪ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশ করবো। তাহলে এটাকি জনগণের সঙ্গে ভন্ডামি না?

শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এ বাংলাদেশ জনদল আয়োজিত মহান স্বাধীনতার ৪৭ বছর ও জনগণের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাহমুদুর রহামন মান্না বলেন, সরকার বলছে বিশ্ব আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে আমরা উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করেছি। কিন্তু সরকারের পরিসংখ্যান ও অর্থমন্ত্রী বলছেন আমরা ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করবো। তাহলে গতকাল কেন এত ঢাক ঢোল পিটিয়ে শোভা যাত্রা করলেন? তারা উন্নয়নের শোভাযাত্রার নামে কেন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান চোর, দুর্নীতিবাজ, লুটেরাদের সরকার। যে সরকার ক্ষমতায় থাকতে ভোট চুরি করে তারা আবার বলে উন্নয়নের কথা। বর্তমান সরকারের কেবিনেটের দিকে আমার ১০ আঙ্গুল তাক করে বলতে পারি এ সরাকরের কম করে ৩০ জন মন্ত্রী দুর্নীতিবাজ। এরা দুর্নীতিবাজ, চোর ও লুটেরাদের সরকার। মিথ্যবাদী সরকার।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক বলেন, এসরকার লুটেরারাদের সরকার। এদের আমলেই বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুট হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দুদক ডেকে নিয়ে যায়। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক চুরি হলো অথচ এর গভর্নর কে ডাকা হলো না।

আগামী নির্বাচনের বিষয়ে মান্না বলেন, সরকার চায় কেউ ভোটে না আসুক। যদি সবাই নির্বাচনে আসে সরকার ফিট হয়ে যাবে। সরকার যদি চাইতো সব দল নির্বাচনে আসুক তাহলে খালেদা জিয়াকে ২ কোটি টাকার জন্য সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠাতেন না। আর হাইকোর্ট জামিন দেয়ার পর আপিল বিভাগ বাতিল করে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যাতে কেউ ভোটে আসতে না পারে সে জন্য তারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমাদের কথা বলতে দেয় না। বলে কথা বলতে পারবিনা কথা বললেই তো ধরে নিয়ে যাবে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে কোনো মানুষ ভোট দেয়নি। অথচ এ সরকার বলে ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে আমরা গুনে দেখেছি।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার। এতদিন বললো বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে, আর সরকার এখন বলছে বাংলদেশ ডিজিটাল হতে সামগ্রিক ভাবে ৫ বছর লেগে যাবে। অথচ পরিসংখ্যানে দেখা যায় ঢাকা শহরের আশেপাশে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ মোবাইল ফোন চালায়। এতেই বুঝা যায় বাঙালির মাঝে সৃজনশীল শক্তি আছে। এটাকে কাজে লাগাতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আগে বৃটিশ ও পাকিস্তানিরা বলেছে আমরা সবচে আলস জাতি। কিন্তু এখন প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ সবচে পরিশ্রমী, মেধাবী।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফাসহ অনেকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে