Alexa সরকার দেশে বিভাজন সৃষ্টি করেছে: মঈন খান

ঢাকা, বুধবার   ২১ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৭ ১৪২৬,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সরকার দেশে বিভাজন সৃষ্টি করেছে: মঈন খান

 প্রকাশিত: ১৮:৫৯ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, সরকার দেশে বিভাজন সৃষ্টি করছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি বলে এ বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ‘জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে’র ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ ও শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারা কেন এটা করছে? কারণ হচ্ছে, বিশ্বে ঔপনিবেশিক শক্তিরা বিভিন্ন দেশে গিয়ে মানুষদের উপর খবরদারি করতো তখন তারা যে অস্ত্র ব্যবহার করতো, তা ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’। অর্থাৎ এই বিভাজন। তারা সেখানকার জনগণকে দুটি- তিনটি ভাগে ভাগ করে দুর্বল করে দিত, যাতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওপনিবেশিক শক্তিকে প্রতিহত করে স্বাধিনতা অর্জন না করতে পারে। দুঃখের বিষয় একটি স্বাধীন দেশের সরকার তাদের কার্যক্রম দিয়ে প্রমাণ করেছে তারা ওই ওপনিবেশিক শক্তির প্রতিনিধি। তাদের সক্ষমতা প্রলম্বিত করতে সেই ডিভাইড অ্যান্ড রুল অনুসরণ করছে।

মঈন খান বলেন, যারা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছিল তারা মুক্তিযোদ্ধা। কিন্ত যারা পলায়নপর, ভীত রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে, তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সীমারেখা পার হয়ে, লাফ দিয়ে অন্য দেশে গিয়ে পড়েছিল কাপুরুষের মত তারা কি মুক্তিযোদ্ধা? এ প্রশ্ন আমাদের সাহস করে বলতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জন্মই হয়নি বিএনপির সে দলটি কিভাবে স্বাধীনতার বিরোধী হয়। যে দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান, সে দলকে তারা কিভাবে বলে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি? সেদিন বিএনপি নামে কেউ তো ছিল না। ৭৫ সালের ঘটনার সেই সাইকোলজিতে কেন তারা বিএনপিকে শত্রু হিসেবে ভাবে? এর কারণ আওয়ামী লীগের নাম হীনমন্যতাবোধ। সে কারণেই তারা বিএনপিকে সহ্য করতে পারে না।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের প্রচার সম্পাদক লায়ন সাইফুল ইসলাম সেকলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজ আব্বাস, বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবদীন প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে

Best Electronics
Best Electronics