Alexa সরকার খালেদাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়: খসরু

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সরকার খালেদাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়: খসরু

 প্রকাশিত: ১৪:৫৫ ২২ ডিসেম্বর ২০১৭  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহামুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, আত্ত্বরক্ষার পথ বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সবচেয়ে বড় পথ এই মূহুর্তে বেছে নিয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রীত অবস্থার মধ্যে রেখে আগামী নির্বাচনে যাতে তিনি অংশগ্রহণ করতে না পারে। ওনার ভূমিকা যাতে না থাকে সেটাই তারা বেছে নিয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল নামের একটি সংগঠন।

খসরু বলেন, আত্ত্বরক্ষার পথ তারা বেছে নিয়েছে, সবচেয়ে বড় পথ এই মূহুর্তে বেছে নিয়েছে খালেদা জিয়াকে, বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রীত অবস্থার মধ্যে রেখে আগামী নির্বাচনে ওনাকে, যাতে অংশগ্রহণ করতে না পারে। ওনার ভূমিকা যাতে না থাকে সেটাই তারা বেছে নিয়েছে এবং সেই পথ পিচ্ছিল পথ, সেই পথে আপনারা চলবেন না। আমি সরকারকে অনুরোধ করছে সেই পথে চলবেন না। সেই পথে আপনারা বিগতদিনে একবার চলেছেন, বাকশাল করে একদলীয় সরকার করে, সেখানে কিন্তু আপনাদের অনেক উচ্চমূল্য দিতে হয়েছে। জণসাধারণের সাথে থাকেন। এইবার এই পিচ্ছিল পথে যদি চলেন আগামীদিনে আরো অনেক উচ্চমূল্য দিতে হতে পারে।

তিনি বলেন, এই মামলাগুলো বিচারের সাথে সর্ম্পকিত কোন মামলা নয়। এই মামলাগুলো পুরোপুরিভাবে একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল করার জন্য। এই মামলাগুলো আজকে ক্ষমতায় টিকি থাকার জন্য যে অবৈধ সরকার অনির্বাচিত সরকার, অনির্বাচিত সংসদ, এটাকে যদি টিকিয়ে রাখতে হয়, আজকে তারা অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থা যেগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে তার সাথে সাথে বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রিত করতে না পারলে তাদের মধ্যে একটা আশংকা কাজ করে যে বিচার বিভাগ থেকে হয়তোবা কোন ধরনের বাধা আসতে পারে। গোটা বিশ্বের প্রত্যেকটা সভ্য দেশে হয়েছে যে মানুষের শেষ ভরসা হিসেবে বিচার বিভাগ স্বপ্রণোদিত হয়ে অনেক সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে। একটা দেশ যখন এই ধরনের পরিস্ঞিতির মুখোমুখি হয়, সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে সেই অবস্থায় বিচার বিভাগের অধিকার, যদি এটা একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয় তাহলে বিচার বিভাগের অধিকার অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগ যাতে স্বধীণ ভূমিকা পালন করতে না পারে সেজন্য প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী কারখানা থেকে তৈরি কতগুলো মামলা, এ সমস্ত অভিযোগের তারা আজ পর্যন্ত একটা সত্যতা দিতে পারেনি, আমরা উকিল নোটিশ দিয়েছি, উকিল নোটিশের জবাবের অপেক্ষায় আছি। আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বলেছেন যে, আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে যে এখন, যে আমরা দুনীতি করি নাই। মানে আপনি চিন্তা করেন কি পর্যায়ের? তারা বলেছে কথা, প্রধান মন্ত্রী বলেছেন কথা তারা প্রমাণ করবে এখন উল্টো বলছে যে বিএনপিকে নাকি প্রমাণ করতে হবে। এটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ কারণ তাদের হাতে তো কিছু নাই। আর বিএনপির হাতেও কিছু নাই।এটা হচ্ছে তারা আত্তরক্ষার জন্য করেছে কারণ তারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

Best Electronics
Best Electronics