‘সরকারের সঙ্গে আমরাও চেষ্টা করছি’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১২ ১৪২৬,   ২১ শাওয়াল ১৪৪০

‘সরকারের সঙ্গে আমরাও চেষ্টা করছি’

 প্রকাশিত: ১৫:৫২ ৯ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১৫:৪৮ ১০ অক্টোবর ২০১৮

স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান রুহেল

স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান রুহেল

স্টার সিনেপ্লেক্সের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল সোমবার। এ উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাতে জানানো হয়, রাজধানীর সীমান্ত স্কয়ারে (ধানমন্ডি)  আরেকটি মাল্টিপ্লেক্সের কাজ শেষ এবং তাতে তিনটি স্ক্রিন থাকছে শুধুমাত্র চালু হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে। 

আমাদের দেশে দিন দিন সিনেমা হল কমছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ৩ হাজার স্ক্রিন দরকার। কথাগুলো বলছিলেন, স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান রুহেল। এ উপলক্ষে সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত ১০টি বাংলা চলচ্চিত্রকে সেরার সম্মাননা দেয়া হয়।

এদিকে, বিনোদনের অভাবে দেশের ছেলেরা বিপথগামী হচ্ছে মনে করে রুহেল বলেন, আমাদের দেশে ছেলে-মেয়েরা বিনোদনের অভাবে এখন বিপথগামী হচ্ছে। ড্রাগ নিচ্ছে, জঙ্গিবাদে জড়িয়ে যাচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজবে আক্রান্ত হচ্ছে। তাদেরকে এসব থেকে ফেরাতে সরকার চেষ্টা করছে নতুন সিনেমাহল বাড়ানোর। আমরাও আমাদের মতো করে চেষ্টা করছি। 

এদিকে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে চট্টগ্রামের কিছু অংশের গল্প, নারীর ক্ষমতায়ন, মাদক এসব গল্প নিয়েই ছবি প্রযোজনা করতে চান রুহেল৷ তিনি বলেন, কোন ছবি আগে শুরু হবে শিগগির এ বিষয়ে মহরতের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে দেশের জনপ্রিয় সিনেথিয়েটার ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’। সেই হিসেবে গতকাল পূর্ণ হয়েছে এর ১৪ বছর। দীর্ঘ এই বছরগুলোতে হলিউডের ছবির পাশাপাশি দেশের ছবিও প্রদর্শন করে সিনেমাহলটি চলচ্চিত্র শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছেন। 

এদিকে, নগরীর গুলশান, বনানী ও এর আশপাশ এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য মহাখালীতে একটি সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়ে গেছে বলে জানান স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। 

তিনি বলেন, উত্তরা ও পূর্বাচল এলাকাতেও সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হবে। একেবারেই নতুন প্রযুক্তি থাকবে সেখানে। দর্শক এতদিন থ্রিডিএক্স টেকনোলজি দেখেছেন। নতুন এসব সিনেপ্লেক্সে আমরা কোরিয়ার অত্যাধুনিক ফোরডিএক্স দেখাবো। বর্তমানে এটি সারাবিশ্বে সাড়া ফেলেছে।

মাহবুবুর রহমান আরো জানান, রাজধানীর ধানমন্ডি (সীমান্ত স্কয়ার সংলগ্ন সীমান্ত সম্ভার), মহাখালী, উত্তরা ও পূর্বাচল সিটিতে সিনেপ্লেক্স নির্মাণ শেষ হলে তারপরেই নতুন করে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে সিনেপ্লেক্স নির্মাণ শুরু হবে। 

তিনি বলেন, উত্তরা ও পূর্বাচল এলাকাতেও সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হবে। একেবারেই নতুন প্রযুক্তি থাকবে সেখানে। দর্শক এতদিন থ্রিডিএক্স টেকনোলজি দেখেছেন। নতুন এসব সিনেপ্লেক্সে আমরা কোরিয়ার অত্যাধুনিক ফোরডিএক্স দেখাবো। বর্তমানে এটি সারাবিশ্বে সাড়া ফেলেছে।

মাহবুবুর রহমান আরো জানান, রাজধানীর ধানমন্ডি (সীমান্ত স্কয়ার সংলগ্ন সীমান্ত সম্ভার), মহাখালী, উত্তরা ও পূর্বাচল সিটিতে সিনেপ্লেক্স নির্মাণ শেষ হলে তারপরেই নতুন করে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে সিনেপ্লেক্স নির্মাণ শুরু হবে। 

তাছাড়া প্রদর্শনীর জন্য সিনেমা প্রযোজনা করারও ইচ্ছে পোষণ করেছেন স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই