সরকারের বাজেটে গরীবরা আরো গরীব হবে: মওদুদ

ঢাকা, রোববার   ১৯ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

সরকারের বাজেটে গরীবরা আরো গরীব হবে: মওদুদ

 প্রকাশিত: ১৫:৫৯ ৮ জুন ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে গরীবদের মূল স্রোতধারায় আনার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি বৈষম্যের বাজেট। এর মাধ্যমে গরীবরা আরো গরীব হবে, ধনীরা আরো ধনী হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ বাজেট। যে সরকার বাজেট দিয়েছে আমরা তাদের বৈধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছি। এই সরকারের বাজেট দেয়ার বৈধতা আছে কিনা সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কারণ এই সংসদে ১৫৪ জন নির্বাচিত হননি। একটি অনির্বাচিত সরকারের এই ধরণের বাজেট দেয়ার কী বৈধতা আছে এটা ইতিহাস একদিন পরীক্ষা করে দেখবে এবং তার রায় দেবে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামের উদ্যোগে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন: সরকারের ভূমিকা ও জনগণের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মওদুদ আহমেদ বলেন, বাজেট নিয়ে সরকারের দূরভিসন্ধি রয়েছে। বিশাল বাজেট হলেই বিশাল উন্নয়ন হয় না। ‘ইটস আ বিগ বিউটিফুল ব্লু বেলুন’ এই বাজেট একটি নীল রঙের বিশাল ফাঁকা বেলুনের মতো। দেখতে খুব সুন্দর। কিন্তু ভেতরে কিছু নেই। একটি সুই দিয়ে খোঁচা দেন। দেখবেন সব শেষ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি অসহনশীল রাজনৈতিক দল। কোন বিরোধী দল থাক তারা তা সহ্য করতে পারেনা।

ইলেকশন কমিশন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা এতোদিন বলে এসেছি সেনা মোতায়েন করতে হবে। ইসি বলেছে না মোতায়েন হবে না। এখন আবার বলছে সেনা মোতায়েন হবে। জানিনা তাদের কি দূরভিসন্ধি আছে। সেনা মোতায়েন করতে হলে অবশ্যই তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দিতে হবে। তা না হলে শুধু ঘোরাঘুরির জন্য সেনা মোতায়েন করলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে না।

মাদক বিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, আজকে মাদক বিরোধী অভিযানের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। আমরা ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি হত্যার জন্য অনুসন্ধান করব। প্রতিটি হত্যার বিচার করা হবে। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে তাকে ধরে নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বলে হত্যা করা হল। কে সিদ্ধান্ত দিল সে মাদক ব্যবসায়ী। কোন আদালত কি বলেছে। কোনো আদালতে কি তার বিচার হয়েছে?

একই আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, রমজান মাসের পরই দেশের মানুষ আন্দোলনের দিক নির্দেশনা পেয়ে যাবেন। একটি জাতীয় ঐক্য হবে। সেই ঐক্যের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মুক্তি হবে। আপনারা সবাই প্রস্তুত হন।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উপদেষ্টা কৃষিবিদ মেহেদি হাসান পলাশের সভাপতিত্ব ও সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন- নেত্রীর উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক এমপি আহসান হাবিব লিংকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ, মিরপুর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দুলু প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/এমআরকে

Best Electronics