.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

সব কৃতিত্ব ফ্রাইলিংকের: মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ২০:৪৫ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:৪৫ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিপিএলের ১১তম ম্যাচ খেললো চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটানস। এই ম্যাচই গড়াল সুপার ওভারে। আর সেই ম্যাচে নাটকীয় ভাবেই শেষ বলে ম্যাচ জিতেছে চিটাগং ভাইকিংস। তাই জয়ী দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জয়ের কৃতিত্ব দিচ্ছেন ম্যাচসেরা রবি ফ্রাইলিংকে।

এক ওভারে ১৯ রানের প্রয়োজন চিটাগং ভাইকিংসের। সেখান থেকে ম্যাচটি গড়াল সুপার ওভারে। চিটাগংয়ের আগের ম্যাচটিই গড়াতে পারত সুপার ওভারে। সেবারও ক্রিজে ছিলেন ফ্রাইলিংক। শেষ বলে ৭ রানের প্রয়োজন হলে সেটি নিতে ব্যর্থ হন ফ্রাইলিংক। তবে এবার আর ব্যর্থ হননি। নাইম হাসান ছয় মেরে আউট হলে পরের দুই বলে দুইটি ছয় হাঁকান ফ্রাইলিংক। যদিও দ্বিতীয় ছয় মারার বল নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

ফ্রাইলিংক ‘নো বল’ চেক করার জন্য আম্পায়ারের কাছে আবেদন করলেও সাড়া দেননি তাতে। শেষ বলে একরান নিতে ব্যর্থ হন ফ্রাইলিংক। ম্যাচটি গড়ায়ও সুপার ওভারে। সুপার ওভারে আগে ব্যাট করতে নেমে ১১ রান সংগ্রহ করে চিটাগং ভাইকিংস। সেই সুপার ওভারেও শেষ বলে তিন রানের প্রয়োজন হলে সেটি নিতে ব্যর্থ হয় স্টার্লিং। সুপার ওভারেও বল হাতে ছিলেন ফ্রাইলিংক। তাই তো দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন ফ্রাইলিংকে।

সুপার ওভারে চিটাগং ভাইকিংস বোলিংয়ে যাওয়ার আগে মুশফিক ফ্রাইলিংকে উৎসাহিত করলেও তিনি বেছে নিতেন শেষ বলে একরানকেই। এছাড়াও সুপার ওভারে জুনায়েদের করা বোলিংয়ের তার কাজে দিয়েছে জানিয়েছেন ফ্রাইলিংক।

“আমি সুপার ওভার থেকে শেষ বলে একরানকেই বেছে নেবো। জুনায়েদ খান বেশ ভালো বোলিং করেছে যা কিনা আমার কাজে এসেছে। এছাড়াও আমাদেরকে সমর্থন দেয়ার জন্য দর্শকদের জানাই।”

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে