সবজি-মাছের দাম অপরিবর্তিত, বেড়েছে মুরগির

ঢাকা, সোমবার   ২৫ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৭,   ০২ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সবজি-মাছের দাম অপরিবর্তিত, বেড়েছে মুরগির

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩৪ ১৫ মে ২০২০   আপডেট: ১৪:৫৭ ১৫ মে ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের মধ্যে শাক-সবজি ও মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে বয়লার মুরগি ও আদার দাম। মুরগিভেদে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম। তবে কয়েক দফায় অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর এখন কমছে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্যের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা ৩০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুরলতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা-ধুন্দল-ঝিঙা ৪০ টাকা, বেগুন (প্রকারভেদে) ৩০ থেকে ৫০ টাকা, শসা ২০ থেকে ৩০ টাকা, ধনিয়াপাতা ৮০ টাকা, পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।

প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, প্রতিপিস বাঁধাকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি (সবুজ) ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, প্রতিহালি কলা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর প্রতিহালি ছোট লেবু ১০ টাকা, বড় সাইজের লেবু ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিআটি (মোড়া) কচুশাক ৭ থেকে ১০ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, মূলারশাক ১৫ টাকা, পালংশাক ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়াশাক ২০ থেকে ২৫ টাকা, পুঁইশাক ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে গরু ও খাসির মাংস গত সপ্তাহের মতো ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, মহিষের মাংস ৬০০ টাকা ও বকরি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি লেয়ার ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা।

অপরদিকে বাজারে বড় মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে ছোট মাছের দাম। কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা, মলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ছোট পুঁটি (তাজা) ৫৫০ টাকা। প্রতিকেজি শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বাগদা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা, হরিণা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাস ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, কাতল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এককেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কেজিদরে।

এছাড়াও বাজারে রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিদরে। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিদরে।

বাজারে খোলা সয়াবিন (লাল) বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা লিটার, খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা লিটার। অপরিবর্তিত আছে সরিষার তেল। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।

হালিমা নামে মিরপুর কাঁচা বাজারের এক ক্রেতা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এখন সবজিসহ অন্য পণ্যের দাম কমায় ভালো লাগছে। তবে ক্রেতাদের আয় কমায় অনেকে মুরগির ওপর ভরসা রাখে। কিন্তু হঠাৎ করে মুরগির দাম চড়া মানা যায় না। চাহিদা বাড়লেই দাম বাড়ানো এখন ব্যবসায়ীদের প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সলিমউল্লাহ নামে এ বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজারে এখন জিনিসপত্রের সরবরাহ কম। চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে এনে বাড়তি দামে বিক্রি করছি। ওখানে দাম কমলে খুচরাও কমবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে