ঢাকা, সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
ডেইলি বাংলাদেশের অডিও সার্ভিস চালু
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক...

সন্তান হাসলেই ‘মা’ হাসেন আর কাঁদলে কাঁদেন

 যাহিন ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৩, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আপডেট: ০৯:১৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

১২২৩ বার পঠিত

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সবচেয়ে প্রিয় শব্দ মা। সবচেয়ে আপন মানুষটিও মা। তাকে ছাড়া পুরো পৃথিবীই যেন অন্ধকার। সন্তান হাসলে মা হাসেন আর কাঁদলে তিনি কাঁদেন। ‘মা’ শব্দটিই যেন স্বর্গীয় পূর্ণতায় হৃদয় ও মনকে অম্লমধুর সুধায় প্লাবিত করে। ত্রিভূবনের সবচেয়ে মধুরতম অপার্থিব শব্দটি এই ‘মা’। একটি সন্তানকে ধ্বংস অথবা অনেক বড় করতে মায়ের এক ফোঁটা পানিই যথেষ্ট।

আব্রাহাম লিংকন বলেছিলেন, যার মা আছে সে কখনো গরিব নয়। হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন,মা হলো পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক যেখানে আমাদের সব দুঃখ-কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনা সুদে অকৃত্রিম ভালোবাসা।

মায়েরা এমনই। অথচ আমরা জেনে শুনে তাদের কতই না কষ্ট দিয়ে থাকি। যে মা’কে কষ্ট দেই বিপদের সময় সেই ত্রাতা হয়ে আমাদের সহযোগিতা করে। মায়েদের ত্যাগের গল্প বলে শেষ করা যাবে না।

সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা, আত্মত্যাগ কখনো কোনো বস্তুগত দ্রব্যের সাথে তুলনীয় নয়। একটি মাকড়সা যখন ডিম দেয় তখন সে ডিমগুলো অন্য প্রাণী খেয়ে ফেলার ভয়ে নিজের বুকের সঙ্গে আঁকড়ে ধরে রাখে, এক সময় ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় এবং বাচ্চারা মায়ের রক্ত মাংস খেয়ে খেয়ে বড় হয় অবশেষে মাকে খোসায় পরিণত করে।

রক্ত খেয়ে বেঁচে ওঠা ওই মাকড়সার সন্তানদের মায়ের মত কোনো অংশে কম কষ্ট সহ্য করেন না আমাদের ‘মা’। সব সময় সন্তানের সংকট মানে মায়ের চোখে ঘুম নেই।   

সন্তানের জন্য মা সব ত্যাগ স্বীকার করেন,সব কষ্ট সহ্য করেন হাসিমুখে। মা আমাদেরকে মুখে তুলে খাইয়ে দেন, ঘরটা গুছিয়ে দেন, প্রিয় জিনিসগুলো মনে করে কিনে দেন। অথচ এই মানুষটি খেয়েছেন কিনা সেই খোঁজ আমরা বেশিরভাগ সন্তানই রাখি না। মায়ের প্রিয় খাবার কোনটা, প্রিয় রং কী সে খোঁজও জানে খুব কম সন্তান।

তবুও মা কখনো দীর্ঘশ্বাস ফেলেন না। কখনো আমাদের কাছে কিছুই চান না। কিন্তু যেই মানুষটি সবসময় আমাদের খেয়াল রাখেন, একটা দিন অন্তত আমাদের উচিত তার খেয়াল রাখা। সব কাজ, সব ব্যস্ততা দূরে ঠেলে একটা দিন মাকে উৎসর্গ করা।

কাল ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস। দিবসটিতে একে অপরকে ভালোবাসা জানানোর প্রধান উপকরণই হলো ফুল। পৃথিবীর বুকে এই একটি মানুষই আছে,যার ভালবাসা কখনো খন্ডন করা যায় না। আমরা কি পারি না সব কিছু বাদ দিয়ে কালকের দিনটিতে তার পাশে থাকতে। তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে। 

সন্তানের বিপদের সময় কত অশ্রু মায়ের চোখ থেকে অঝরে পড়তে থাকে,তা একমাত্র বিশ্ববিধাতাই জানেন। সন্তানের সুখের জন্য কি না করে এই মা? জীবনের শেষ প্রহরগুলোতেও চেষ্টা করে যায় সন্তানকে সুখী রাখতে। প্রায় প্রত্যেকটি মায়ের জীবনের শেষ ইচ্ছা হয় মৃত্যুর আগে যেন আমার ছেলে মেয়েদের সুখ দেখে যেতে পারি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। এর দায় ভার পুরোপুরি লেখকের। ডেইলি বাংলাদেশ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

লেখক: যাহিন ইবনাত

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই/টিআরএইচ

সর্বাধিক পঠিত
ওপরে যেতে