Alexa সংরক্ষিত নারী আসন বহাল থাকবে আরো ২৫ বছর

ঢাকা, শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১০ ১৪২৬,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন

সংরক্ষিত নারী আসন বহাল থাকবে আরো ২৫ বছর

 প্রকাশিত: ১৫:০৬ ৬ জুন ২০১৮   আপডেট: ১৫:১১ ৬ জুন ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আরো ২৫ বছর জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বহাল থাকছে। এজন্য সংবিধান সংশোধনে উত্থাপিত ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ বিল পাসের সুপারিশ করেছে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বুধবার সংসদে এসংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন সংসদীয় কমিটির সদস্য শামসুল হক টুকু।

সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়। অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বের পর সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। এরআগে গত ১০ এপ্রিল আইন বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। এরপর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে ১৯৭৩ সাল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের বিধান চালু রয়েছে। তা ১৫টি থেকে বেড়ে এখন ৫০টিতে দাঁড়িয়েছে।

সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় সংশোধনী এনে বিলে বলা হয়েছে- ‘‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন-২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া ২৫ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাঙ্গিয়া না যাওয়া পর্যন্ত ৫০টি আসন কেবল মহিলা সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইন অনুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন।’’

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে- সংরক্ষিত মহিলা আসনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার কারণে সমাজে সব ক্ষেত্রে মহিলাদের অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ এর দফা (৩) এর বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ১০ (দশ) বছর মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ শেষ হবে।

সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে মেয়াদ বৃদ্ধি করা না হলে ওই সময় অতিবাহিত হওয়ার পর জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য কোনো আসন সংরক্ষিত থাকবে না। সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজনীয়তা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত আসনের মহিলা-সদস্যদেরকে নিয়ে গঠন করতে হলে দশম সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় সংবিধানে এ সংক্রান্ত বিধান সংশোধন করা প্রয়োজন।

আরো দু’টি বিলের প্রতিবেদন জমা:

সংসদ অধিবেশনে আরো দু’টি বিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তা পাসের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ‘ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বিল-২০১৮’ উপর প্রতিবেদন জমা দেন। আর ‘আবহাওয়া বিল-২০১৮’ পাসের সুপারিশ করে প্রতিবেদন দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূইয়া।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বিল-২০১৮ এর ওপর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। বুধবার কমিটির সভাপতি নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়।

প্রবাসী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলদের সুরক্ষা ও কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করে গত ৯ জানুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি বিলটি উত্থাপন করেন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি এ বিলের ওপর সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটি থেকে রিপোর্ট উপস্থাপন করার পর পুনরায় অধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিলটি সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

উত্থাপিত বিলের বিধান কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে এ বোর্ড পরিচালনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সভাপতি করে ১৬ সদস্যের পরিচালনা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রিপোর্ট উত্থাপন:

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম ও দ্বিতীয় রিপোর্ট সংসদে উত্থাপন করেছেন কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি। প্রতিবেদনে সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে

Best Electronics
Best Electronics