Alexa সংবিধান নিয়ে মুখোমুখি সুচি-সেনাবাহিনী

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সংবিধান নিয়ে মুখোমুখি সুচি-সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৯:০৯ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:০৯ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রবর্তিত সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন অং সান সু চির এনএলডি সরকার।

ক্ষমতায় ফেরার পর এই প্রথম দেশটির সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে তারা। তবে এর ফলে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সু চি সরকারের মুখোমুখী অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্টে সংবিধান পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্তটির প্রথম ধাপ অনুমোদনে একটি যৌথ কমিটি গঠনের পক্ষে ভোট দেয়ার সময় পার্লামেন্টে উপস্থিত সেনা প্রতিনিধিরা নিশ্চুপ ছিলেন।

দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার জানিয়েছেন, সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) শিগগিরই সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব পার্লামেন্টে আনবে।

দুই বছরেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতায় আসার পর এনএলডি সরকারের এমন উদ্যোগ এই প্রথম। বলা হচ্ছে, ক্ষমতায় আসার পর থেকে দলটি সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধে না গেলেও এবার সেটি হতে পারে।

২০০৮ সালে তৎকালীন সামরিক জান্তার প্রণীত সংবিধানেই বর্তমানে চলছে দেশটি। সংবিধানটিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে সারাবিশ্বেই সমালোচনার ঝড়ে উঠেছিল। কেননা, ওই সংবিধানে পার্লামেন্টে ২৫ শতাংশ আসন সেনাবাহিনীর জন্য আসন বরাদ্দে বিধান রাখা হয়েছে। ফলে দেশটির আইন প্রণয়নেও সেনাবাহিনীর প্রভাব থেকেই যাচ্ছে।

স্পিকার ইউ টি খুন মাইয়াত জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে সংবিধান সংশোধনের কমিটি গঠনের বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে পার্লামেন্টে। ক্ষমতাসীন দলের এক এমপি এটি উত্থাপন করবেন। তারপর সেটি নিয়ে আলোচনা হবে তাদের মধ্যে।

এদিকে, এই ঘোষণার বিরোধীতা করতে শুরু করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা এ প্রস্তাবের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছে, সংবিধান সংশোধনের কোনো প্রস্তাব উত্থাপন করতে হলে অন্তত ২০ জন এমপির স্বাক্ষর প্রয়োজন।

সংবিধানে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি মিয়ানমারের কোনো কর্মকর্তার পক্ষ থেকে। তবে দেশ পরিচালনায় সেনাবাহিনীর প্রভাব কমানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/এসআইএস

Best Electronics
Best Electronics