শ্রীলংকায় মুসলিম বিরোধী সংঘাতে জড়িত ৮০ জন গ্রেফতার

ঢাকা, শনিবার   ২৫ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৬,   ১৯ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

শ্রীলংকায় মুসলিম বিরোধী সংঘাতে জড়িত ৮০ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৩ ১৬ মে ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলংকায় মুসলিম বিরোধী সংঘাতে জড়িত ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও মুসলিমদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সহিংস হামলা চালানোর অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ হামলায় এক মুসলিম নিহত হন।

তবে দেশটির সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জড়িত ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।– খবর ডয়চে ভেলে

গত ২১ এপ্রিল তিনটি গির্জা ও তিনটি অভিজাত হোটেলে হামলার পর শ্রীলংকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে সোমবার উত্তর-পশ্চিমের বিঙ্গিরিয়া এলাকায় প্রায় দুই হাজার দাঙ্গাকারী মুসলমানদের মসজিদ ও দোকানপাটে হামলা চালায়।

ঘটনার পর মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই এলাকার মুসলিম নেতা এম আই এম সিদ্দিক এএফপিকে জানিয়েছেন, আমাদের মানুষরা এখনো বাইরে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে জানিয়ে বুধবার সামরিক মুখপাত্র সুমিথ আতাপাত্তু বলেন, গতরাতে কোথাও কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া আমরা সোমবারের হামলার সঙ্গে জড়িতদের আটক করছি।

এদিকে, পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৮০ জনের বেশি জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জরুরি আইনের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে অভিযুক্ত হলে তাদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল হতে পারে।

খ্রিষ্টানদের অন্যতম পবিত্র দিন ইস্টার সানডে। এমন দিনেই কলম্বো, নেগোম্বো ও বাট্টিকালোয়া শহরের বেশ কয়েকটি গির্জা ও হোটেলে ঘটে সিরিজ বোমা হামলা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এই হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯০, আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি।

সংসদের স্পিকার কারু জয়সুরিয়া মুসলমানদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, সহিংসতা উসকে দিতে পারে এমন গুজব ঠেকাতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও ইন্সটাগ্রাম আগেই ব্লক করেছিল সরকার। মঙ্গলবার এ তালিকায় টুইটারও যুক্ত করা হয়েছে।

তবে সরকারের এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও মুসলমানরা আতঙ্কে ভুগছেন। বুধবারও তারা ঘরে থাকাকেই শ্রেয় মনে করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/এসআই

Best Electronics