Alexa শোডাউনের প্রস্তুতি, আসতে পারে ‘প্যাকেজ’ কর্মসূচি

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

শোডাউনের প্রস্তুতি, আসতে পারে ‘প্যাকেজ’ কর্মসূচি

 প্রকাশিত: ২১:৫৪ ৩১ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৬:০২ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ

বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ

আগামীকাল ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

জানা গেছে, সমাবেশ সফল করার জন্যে ঢাকার প্রতিবেশী কয়েকটি জেলার বিএনপির নেতারাও প্রস্তুত। লক্ষ্য একটাই, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতির মাধ্যমে সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করা। ভাঙতে চায় নয়াপল্টনের অতীতের সব রেকর্ড।

এদিকে সমাবেশের আগের দিন পুলিশের লিখিত অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। তবে অনুমতিপত্রে জুড়ে দেয়া হয়েছে কয়েকটি শর্ত। যদিও সমাবেশ সফল করতে সে শর্তকে বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা মনে করছেন না দলটির নেতারা। তবে সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছেন তারা।

দলীয় সূত্র জানায়, কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের দাবি আদায়ে সমাবেশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আসতে পারে। চেয়ারপারসনের মুক্তি ও  নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঘোষণা হতে পারে ‘প্যাকেজ’ কর্মসূচির। পহেলা সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ সফল করার পর দ্বিতীয় সপ্তাহেও ফের সমাবেশের অনুমতি চাইবে দলটি। একই সঙ্গে সমাবেশ সফল করার পর থেকে সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি সম্বলিত লিফলেট ও পোস্টার সারাদেশে বিতরণসহ বিভিন্ন কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির নীতি নির্ধারকদের একজন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। সমাবেশের ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকালের সমাবেশ জাতীয় রাজনীতি ও বিএনপির জন্য সাংগঠনিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সমাবেশের মাধ্যমে দেশবাসীর পাশাপাশি সরকারকেও কিছু বার্তা দেয়া। জনতার যে জোয়ার সৃষ্টি হবে তা ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই।

সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এটা মহাসমাবেশ না। এটা ঢাকার মধ্যে সমাবেশ। সারাদেশ জুড়েও না। তবে আমরা আশা করছি ঢাকার মধ্যে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে এটা।

তিনি বলেন, আমরা দেশের বাইরে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে সমাবেশের বিষয়ে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও আমরা আশা করি নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের উপস্থিতি থাকবে বেশি। কারণ সাধারণ মানুষ চায় একটা পরিবর্তন। এই সরকারের অত্যাচারে তারা আজ অতিষ্ঠ।

সমাবেশকে ঘিরে আমরা গ্রেফতার আতঙ্কে আছি জানিয়ে তিনি বলেন, আজও ঢাকার ভিতরে অনেক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশ কমিশনার আমাদের আগে মৌখিক অনুমতি দিয়ে বলেছিলেন আমরাও চাই আপনারা একটা সুন্দর প্রোগ্রাম করেন। আজ তিনি লিখিত অনুমতি দিয়েছেন।

ছাত্রদলের সহ সভাপতি নাজমুল হোসেন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আগামীকালের সমাবেশকে ঘিরে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা সরকারের সকল ভয়-ভীতি ও রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ছাত্রদলের সর্বোচ্চ উপস্থিতি ঘটাবো এবং সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/জেডএম