‘শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রত্যাবর্তন’

ঢাকা, সোমবার   ০১ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭,   ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

‘শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রত্যাবর্তন’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:০৭ ১৭ মে ২০২০  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রত্যাবর্তন নয়। গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন।

রোববার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।  

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকন্যা যখন দেশে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, তখন সামরিক শাসক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। পরবর্তীতে শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোভাব, দেশে ফেরার প্রত্যয় ও আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সামরিক শাসক শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দিতে বাধ্য হয়েছিল। ওই বছরের ১৭ মে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দেশে পদার্পণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

হাছান মাহমুদ বলেন, এমনকি দেশে আসার পর শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রক্তে ভেজা ৩২ নম্বর বাড়িতে গিয়ে একটি মিলাদ পড়াতে চেয়েছিলেন। তাও অনুমতি দেয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে রাস্তায় সামিয়ানা টাঙিয়ে মিলাদের ব্যবস্থা করতে হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশের কথা উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ পরিচালনায় জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করেন। পরে দেশের মানুষকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্যদুঃখ-দুর্দশা লাঘব করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন। 

তিনি বলেন, ব্যক্তি শেখ হাসিনা মাদার অভ হিউম্যানরিটি, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পদকে অভিষিক্ত। শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক নন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নন, তিনি আজ বিশ্বের সামনে একটি অনুকরণীয় নেতৃত্বের উদাহরণ। আমরা কে কতটুকু শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকতে পেরেছি জানি না। কিন্তু গত ৩৯ বছরের পথ চলায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে ছিলেন এবং আছেন। 

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি বোমা পুঁতে, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে পাখি শিকার করার মতো মানুষ শিকার করে। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বৃষ্টির মতো গ্রেনেড ছুঁড়েও তাকে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বারবার মৃত্যুর উপত্যকা থেকে ফিরে এসেও মৃতুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা বিচলিত হননি, দ্বিধান্বিত হননি। বরং আরো দীপ্তপদভারে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/এমআরকে