শুরু হলো জাতীয় এ্যাথলেটিকস
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=20314 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

শুরু হলো জাতীয় এ্যাথলেটিকস

 প্রকাশিত: ২১:৪০ ২২ ডিসেম্বর ২০১৭   আপডেট: ২১:৪১ ২২ ডিসেম্বর ২০১৭

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার মাঠে গড়িয়েছে ৪১তম এনআরবি ব্যাংক জাতীয় এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা। সকাল থেকেই বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা শুরু হলেও বিকেলে প্রতিযোগিতার উদ্ধোধন করেন এশিয়ান এ্যাথলেটিক্স এসোসিয়েশনের সভাপতি কাতারের জেনারেল দাহলান আল হামাদ। উদ্বেধানী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের সভাপিত এএসএম আলী কবির।

উদ্ধোধনী দিনে পুরুষদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে ২১.৭৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জিতে নিয়েছেন নৌবাহিনীর আবদুর রউফ।

অন্যদিকে ২০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণ পদক জিতেছেন সেরা দেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। ২৫.৫৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে মিটে প্রথম সোনা জেতেন নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট। তবে এতেও খুশী নন শিরিন। তার কথায়, এই স্কোরে আমি খুশী নই। তারপরও আমি তাকিয়ে রয়েছি আমার প্রিয় ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্টের দিকে। ওটাই যে আমার মূল ইভেন্ট। আশা করি সব ঠিক থাকলে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ষষ্ঠবারের মতো স্বর্ণপদক জিততে পারবো।

এদিকে বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধ বলে আসর উদ্ধোধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান এশিয়ান অ্যাথলেটিকসের সভাপতি দাহলান। বাংলাদেশকে ট্র্যাকসহ টেকনিক্যাল, টেকটিক্যাল সহায়তা দেয়ারও আশ্বাস প্রদান করেছেন তিনি। সে সঙ্গে অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নের জন্য তৃণমূলেই জোর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

দাহলানের কথায়, তৃণমূল থেকে অ্যাথলেট তুলে আনতে হবে। শুধু তুলে আনলে হবে না প্রতিভাবানদের ধরে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে ফেডারেশনকে। বিশেষ করে স্কুল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান অ্যাথলেট বাছাই করে আনতে হবে। স্কুল পর্যায়ে কাজ না করলে ভালোমানের অ্যাথলেট কখনই পাওয়া সম্ভব না।

তিনি আরো বলেন, এক সময় অ্যাথলেটিকসে যুক্তরাষ্ট্র প্রভাব বিস্তার করত। এখন কিন্তু জ্যামাইকার অ্যাথলেটরা ভালো করছেন। এটা প্রজন্মের পরিবর্তন। তাই জাতীয় পর্যায়ে টেলেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। ভালোমানের অ্যাথলেটদের ধরে রাখতে হবে। তবে বাংলাদেশ শেখ কামাল অ্যাথলেটিক একাডেমিকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমি হিসেবে গড়ে তোলা, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আরডিসি, ট্র্যাক স্থাপন এবং দেশের দরিদ্র অ্যাথলেটদের আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদানের জন্য দাহলানের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে ফেডারেশনের সভাপতি এএসএম আলী কবির জানান। সূত্র: বাসস

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে