Alexa শুঁটকি উৎপাদনে ২০ হাজার জেলে

ঢাকা, শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

শুঁটকি উৎপাদনে ২০ হাজার জেলে

এমাদুল হক শামীম, শরণখোলা (বাগেরহাট) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৩ ২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:৪৭ ২ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাগেরহাটের শরণখোলা অধীন সুন্দরবনের দুবলার চরের জেলে পল্লীর পাঁচটি চর। সেখানে শুরু হচ্ছে শুঁটকি উৎপাদন। এতে কাজ করবে প্রায় ২০ হাজার জেলে। সঙ্গে থাকবে বহদ্দার ও শ্রমিকরা। এরইমধ্যে বিভাগীয় বন কার্যালয় থেকে জেলেদের অনুমতি পত্র দেয়া হয়েছে।

শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদিন জানান, এ বছরে শুঁটকি আহরণের জন্য এক হাজার ৪০টি জেলে ঘর, পাঁচটি ডিপো ঘর ও সাতটি অস্থায়ী দোকান ঘর তৈরির অনুমতি দেয়া হয়েছে। দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির আওতাধীন অফিস কিল্লা-মাঝের কিল্লা, মেহেরআলীর চর, আলোরকোল, নারিকেল বাড়িয়া ও শেলারচরে শুঁটকি প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হবে। মার্চ মাস পর্যন্ত শুঁটকি আহরণের কার্যক্রম চলবে।

এসিএফ জানান, জেলেরা শুঁটকি পল্লীতে অবস্থানকালে তাদের ঘর তৈরি ও অন্যান্য কাজে সুন্দরবনের কাঠ, গোলপাতাসহ কোনো সম্পদ ব্যবহার করতে পারবে না। ২৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থ নির্ধারণ করে ঘরের মাপও ঠিক করে দেয়া হয়েছে। শুঁটকি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত সবকিছুই তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে নিয়ে আসতে হবে। শুধুমাত্র গভীর বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ আহরণ করে সুন্দরবনের উল্লেখিত পাঁচটি চর ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বনবিভাগের এসব শর্ত কেউ ভঙ করলে তার বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত বছর শুঁটকি খাত থেকে দুই কোটি ৭১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। এ বছরে আরো বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহম্মেদ জানান, প্রতি বছর চট্টগ্রাম, সাতক্ষিরা, খুলনা, পিরোজপুর, শরণখোলা, মোংলা, রামপাল, দাকোপ থেকে প্রায় ২০ হাজার জেলে দুর্যোগসহ বিভিন্ন ঝুঁকি নিয়ে শুঁটকি উৎপাদন করেন। এ খাত থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করলেও জেলেদের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র বা চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা নেই। এদিকে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ