.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

শীত উপেক্ষায় বোরো আবাদ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১০:৩৯ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১০:৩৯ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝিনাইদহের মাঠে মাঠে বোরো আবাদে ব্যস্ত কৃষকরা। শীতের হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে সেচ দেয়া ও ধান লাগাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে এ বছর জেলার ছয়টি উপজেলায় ৯২ হাজার ৫শ' ৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬শ’ ৪৩ মেট্রিক টন চাল। এরইমধ্যে জেলার প্রায় ৩০ ভাগ জমিতে রোপণ করা হয়েছে বোরো ধান। 

জেলার সদর, শৈলকুপা, মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরসহ ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে বোরো আবাদ। লাঙল দিয়ে মাটি চাষ করে তৈরি হচ্ছে বোরো ক্ষেত। দেয়া হচ্ছে জমিতে সার ও সেচ। শুষ্ক মৌসুম হওয়ায় সেচ পাম্প থেকে পানি নিচ্ছেন চাষিরা। আবার কোথাও সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হচ্ছে ধান চারা। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলনের ব্যাপারে আশাবাদী তারা। ধান উৎপাদনের খরচ বেড়ে গেলেও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা। 

সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পানি পাওয়া যায় না। বোরো ধান লাগানো থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত তিন হাজার টাকার পানি প্রয়োজন হয়। এছাড়াও অন্যান্য খরচ মিলে বিঘা প্রতি ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা খরচ হবে। কিন্তু ধানের দাম না পেলে লাভ হবে না। 

একই গ্রামের রবীন্দ্রনাথ খাঁ বলেন, বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকট একটি বড় সমস্যা। শুকনো মৌসুমে বোরো ধানের জমিতে দিনে তিনবার করে পানি দিতে হয়। তখন যদি ডিজেল সংকট থাকে, তাহলে বিপদে পড়ব। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জিএম আব্দুর রউফ বলেন, কৃষকদের বোরো আবাদ করতে আদর্শ বীজতলা, সারের সঠিক ব্যবহারসহ নানান পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর