Alexa শিশু প্রহরে বিদায়ের সুর

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

শিশু প্রহরে বিদায়ের সুর

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০৯ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

আর পাঁচ দিন পর অমর একুশে গ্রন্থমেলার পর্দা নামবে। বইপ্রেমীদের এই মিলন মেলার জন্য আবার শুরু হবে বছরব্যাপী অপেক্ষা। সাহিত্যিক ও প্রকাশকরা শুরু করবেন শব্দ আর চিত্রকল্প সংগ্রহের নতুন প্রস্তুতি। 

পাঁচদিন আগেই বইমেলায় লেগেছে বিদায়ের সুর। কারণ শিশু প্রহরের শেষদিন আজ! গ্রন্থমেলার সবচেয়ে সুন্দর এই আয়োজনটির দ্বার বন্ধ হওয়ায় বেশ মন খারাপ করেই মেলা থেকে বিদায় নিচ্ছে শিশুরা। 

তবে শেষদিনের শুরুতেও দারুণ আনন্দ করেছে এই ফুলপরীরা। বই কেনার বদলে আজ শুধু তারা ঘুরে বেরিয়েছে মেলার আনাচে কানাচে। তাদের সঙ্গে ঘুরেছে হরেক রকম পাপেট আর সিসিমপুরের মানুষেরা। 

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক রায়হান নাসেরের ছোট্ট কন্যা তুশি। মেলার পুরোটা জুড়েই ছিল তার বিচরণ। মায়ের মুখ থেকে শুনেছেন আজই শিশু প্রহরের শেষদিন। এরপর থেকেই মুখভার করে আছেন এই রাজকন্যা। 

তুশির ভাই রাশা অবশ্য আশাবাদী পাখি। ডেইলি বাংলাদেশের প্রতিবেদককে সে বলেছে, ‘এক বছর পর আবার আসবো।’

বাংলার শিক্ষক রায়হান নাসের বলেন, শিশু প্রহর খুব সুন্দর আয়োজন। প্রত্যেক সপ্তাহেই আমি পুত্র-কন্যাকে নিয়ে এসেছি। ওরা যতটা আনন্দ করেছে তারচয়েও বেশি আনন্দ আমি করেছি। এতো সুন্দর আয়োজন যেনো প্রত্যেক বছর হয়। যেনো ইট -পাথরের বাক্সে বড় হওয়া শিশুরা এখানে এসে শান্তির নিঃশ্বাস নিতে পারে।

পুরো বইমেলা জুড়ে শুক্র ও শনিবার আয়োজন করা হয়েছে শিশুপ্রহর। এবারের মেলায় অন্যতম আকর্ষণ ছিল এটি। এখানে খেলাধুলা-হাসি আনন্দের পাশাপাশি চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও গানের প্রতিযোগিতাও হয়েছে।

বইমেলার সদস্য সচিব বলেন, শিশুপ্রহর মেলাকে আবেদনের অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে। আমরা আনন্দিত। পরেরবার এর থেকেও ভালো ও আকর্ষণীয় আয়োজন থাকবে শিশুদের জন্য। এজন্য আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখবো। শিশুপ্রহরের জায়গাটাকে আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএস/আরএইচ/টিআরএইচ