ঢাকা, রোববার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৫ ১৪২৫,   ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০

শিশু নির্যাতনের দায়ে আটক তিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:৪৯ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:০০ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্তীসহ তিনজনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আটক করেছে পুলিশ।

নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করার পর ভোররাত থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

নির্যাতন সর্ম্পকে এতিম শিশু লামিয়া আক্তার পুলিশকে জানায়, চার বছর আগে এক নিকট জনের কাছ থেকে পালক হিসেবে নিয়ে আসে গৃহকর্তী নেহার সুলতানা। একটু বড় হবার পর তাকে দিয়ে ঘরের প্রতিদিনের সব কাজ করান। একটু এদিক সেদিক হলেই গৃহকর্তী এবং তার দুই মেয়ে তাকে খন্তি পুরাদিয়ে ছেঁকা দিত। প্রায়শই চিকন বেত দিয়ে আঘাতসহ জুতা পেটা করতো। যার সাক্ষী হয়ে আছে শিশুটির শরিরে আঘাত আর কামড়ের চিহ্ন। আঘাতের যন্ত্রণায় কাপছে শিশুটি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) জিয়াউল হক জানান, শিশু নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের সিও অফিস পাড়ার রমজান মিয়ার বাড়ীতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসেন। পরে শিশুটি পুলিশের কাছে নির্যাতনের লোমহর্যক ঘটনার বর্ণনা দেয়।

শিশুটির নির্যাতনের বর্ণনা শুনে অভিযুক্তদের আটকে রাতেই অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযানে পুলিশ গৃহকর্তী নেহার সুলতানা এবং তার দুই কন্যা রুমা আক্তার ও তাবাসুম সুমাইয়াকে শুক্রবার ভোররাতে আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এসআই সাইফুল বাদী হয়ে পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এসআই সাইফুল জানান, ঘটনার পর থেকে বাড়ীর গৃহকর্তা ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী রমজান মিয়া এবং তার ছেলে রাহাত হোসেন পলাতক রয়েছে। তাদের আটকে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে