.ঢাকা, শনিবার   ২০ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৭ ১৪২৬,   ১৪ শা'বান ১৪৪০

শিশুপ্রহরে খিলখিল হাসির কোলাহল

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১২ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

অমর একুশে গ্রন্থমেলার দুটো দিনের শুরুটাই হয় শিশুদের খুনসুটি, আর হাসি-আনন্দে। এই দিন দুটোকে তাই আদর করে বলা হয় শিশুপ্রহর। এজন্য সকাল এগারোটায় খুলে দেয়া হয় মেলার দ্বার। 

শনিবার সকাল থেকেই গ্রন্থমেলার গেটে এসে ভিড় জমায় শিশুদের দল। দুপুর গড়াতেই মেলার সোহরাওয়ার্দী অংশে শোনা যায় তাদের খিলখিল হাসির কোলাহল। বাবা-মায়ের হাত ধরে মেলাও ঘুরে বেড়ায় অনেকে। কিনে নেয় পছন্দের বই। অনেকে আবার সিসিমপুরের ইকরি আর শিকুর সঙ্গে পাতায় মিতা।   

এদিন মেলাতে এসেছিলেন আট বছরের আজমাঈন মাহমুদ। বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আর মা গৃহিনী। দুজনের সঙ্গেই বেশ ভাব ক্লাস থ্রিতে পড়ুয়া এই ফুলকলির। প্রিয় ইকরির সঙ্গে দেখা করতেই নাকি মেলায় এসেছেন সে।

আজমাঈনের মা মিসেস রুবিনা মাহমুদ বলেন, শিশুপ্রহরের দুদিনই তিনি সন্তানকে নিয়ে মেলায় আসেন। এটি তার সন্তানের কাছে রূপকথা দেখার মতোই আনন্দময়। 

পুরনো ঢাকার ওয়ারী এলাকা থেকে পাঁচ বছরের সন্তান কোলে এসেছেন নজরুল ইসলাম। নিজে খুব ভালো পড়ুয়া না হলেও সন্তান সারা ইসলামকে বইয়ের পোকা বানানোর শখ তার। আর এজন্যই বইমেলা ঘুরে দেখাতে ছুটির দিনটিতে এসেছেন বাংলা একাডেমিতে। তিনি বলেন, শিশুদেরকে যেভাবে গড়বেন তারা তেমনই হয়ে উঠবে। তাই আমি চাই আমার সন্তার যেন সুন্দরের পক্ষে থাকে সবসময়। 

এবারের মেলায় কার্টুন এবং বিভিন্ন রকমের পাপেট দিয়ে সাজানো হয়েছে শিশু চত্বর। সিসিমপুরের গাছ তলাতে আয়োজন করা আনন্দময় নানা অনুষ্ঠান। ইকরি-শিকু-হালুম আর টুকটুকি ব্যস্ত রয়েছে শিশুদের খুশি করার কাজে। খুব কাছ থেকে দেখলে এটিকে মনে হতে পারে রূপকথার বাস্তব চিত্রায়ন।

 ডেইলি বাংলাদেশ/টিএস/আরএইচ/টিআরএইচ