Alexa শিশুদের সময় ব্যয়ে অভিভাবকদের সতর্কতা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ১ ১৪২৬,   ১২ জ্বিলকদ ১৪৪০

শিশুদের সময় ব্যয়ে অভিভাবকদের সতর্কতা

 প্রকাশিত: ১৯:০১ ২১ জুলাই ২০১৭  

শিশুরা কীভাবে তাদের সময়টা ব্যয় করছে বা করবে অভিভাবকদের সে বিষয়  নজর রাখা চায়। কারণ, শিশুর সময় ব্যয় ও অভ্যাস তাদের ভবিষ্যতের ভাল বা মন্দের পথ করে দিতে পারে। ফলে, শিশুদের প্রতি বড়দের সতর্কতা ও পরিচর্যা আবশ্যক। নাওয়া নেই, খাওয়া নেই সারাক্ষণ মুখ গুঁজে মোবাইলে পড়ে থাকে আপনার সন্তান! এই অভ্যাস ছাড়াতে সন্তানের মাঝে গড়ে তুলুন মজার সব শখ। তাই শিশুদের ক্ষেত্রে শখ বেছে নেওয়ায় সহযোগিতা করতে হয় বাবা-মাকে। এক্ষেত্রে, শিশুর জন্য এমন কিছু কাজ বেছে দেওয়া উচিত যা তাদের মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তবে আগে তার পছন্দ সম্পর্কে জানুন এরপর তার জন্য শখ বেছে দিন। মনোযোগ বাড়াতে শিক্ষণীয় খেলা বা কাজ বেশ উপযোগী। নতুন ভাষা শেখান: আমাদের দেশে কাজে-কর্মের জন্য ইংরেজি ভাষা শেখা প্রয়োজন। তবে অন্যান্য বিদেশি ভাষা শেখা জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে সাহায্য করে। ১০ বছর বয়সের পর থেকে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরেও শিশুকে ভীনদেশি ভাষা শেখানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে এই নতুন নিয়মে তার উপর যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। শিক্ষামূলক খেলা: শারীরিক কসরতের পাশাপাশি মস্তিষ্কের ব্যায়ামও জরুরি। আর মাথার ব্যায়ামের জন্য বেশ উপযোগী হল পাজেলস মেলানো। এছাড়া আরও অনেক খেলা আছে যাতে মাথা খাটাতে হয়। শব্দ খেলা, সুডোকু ইত্যাদির জন্য অনেক মনোযোগ প্রয়োজন। আর এসব খেলা থেকে অনেক কিছু জানা যায়। তাছাড়া সহজ ধরনের খেলায় শিশুর আগ্রহ গড়ে উঠলে তাকে দাবা খেলা শেখানো যেতে পারে। এতে তার মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং মাথারও ব্যায়াম হবে। মুদ্রা বা ডাক টিকিট সংগ্রহ: শখ হিসেবে এটি বেশ পুরানো। তবে ‘ডিজিটাল’ যুগে এই শখ তেমন আর দেখা যায় না। তাই সন্তানকে চাইলে এই অভ্যাসের সঙ্গে পরিচিত করে তুলুন। পুরানো মুদ্রা সংগ্রহ, দেশ এবং বিদেশের ডাকটিকিট সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে সে ওই মুদ্রা ও টিকিট সম্পর্কে জানতে পারবে। ফলে তার জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত হবে। আর জ্ঞানার্জনের ইচ্ছাও বাড়বে। সংগীত শেখান: সন্তানের গান শেখার হাতে খড়ির সময়টা তাদের বেসুরে গলার চর্চা শুনতে হলেও কিছুদিন পর ওই মুহূর্তগুলোই আপনাকে আনন্দ দেবে। গান শেখার পাশাপাশি তার পছন্দের বাদ্যযন্ত্র শেখারও সুযোগ করে দিন। গান শিশুর মনোযোগ বৃদ্ধি, ভাষা ও উচ্চারণ সম্পর্কে ধারণা বৃদ্ধি এবং জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে। খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলুন: এই যুগে শিশুদের মধ্যে প্রযুক্তির আসক্তি বেশি। তাই অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বাইরে খেলাধুলার প্রতি তেমন আগ্রহ নেই, সুযোগও তেমন নেই। তবে সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম ও খেলাধুলা বেশ জরুরি। তাই সন্তানকে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ইত্যাদি খেলায় আগ্রহী করে তুলুন। স্কুল বা অন্যান্য মাধ্যমে তাকে খেলাধুলা শেখার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। ডেইলি বাংলাদেশ/আইজেকে