শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যা, বন্দুকযুদ্ধে প্রধান আসামি নিহত

ঢাকা, রোববার   ৩১ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭,   ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যা, বন্দুকযুদ্ধে প্রধান আসামি নিহত

গাজীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:১৭ ২২ মে ২০২০   আপডেট: ০৩:২১ ২২ মে ২০২০

মরদেহ (ফাইল ছবি)

মরদেহ (ফাইল ছবি)

গাজীপুরে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে চাঞ্চল্যকর সাত বছরের শিশু গণধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আনন্দ মিছিল করেছে স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গীর মধুমিতা রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সুফিয়ান। তিনি গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।

র‌্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মধুমিতা রেলগেট এলাকায় শিশু গণধর্ষণ ও হত্যার আসামিরা অবস্থান করছেন। এমন সংবাদে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালান আসামিরা। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে তারা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে সুফিয়ার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অস্ত্র ও গুলি পাওয়া যায়।

১৬ মে মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানার মধুমিতা রেলগেট এলাকায় একটি ময়লার স্তূপ থেকে শিশু চাদনীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করে আসামিরা। নিহত চাদনী বেলতলা এলাকার ভাড়াটিয়া মো. মামুন মিয়ার মেয়ে। সে একটি মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

ঘটনার আগের দিন বিকেলে বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে রেললাইনের পাশে খেলার মাঠে খেলতে যায় চাদনী। পরে বাসায় না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে না পেয়ে রাতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে তার নিখোঁজের ঘোষণা দেয়া হয়। পরের দিন সকালে রেলগেট এলাকায় সজীবের ইটের স্তূপের পাশে চাদনীর মরদেহ দেখে স্থানীয়রা। তবে মরদেহের গলায় ও দুই পায়ে আঘাতের চিহ্নসহ ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা করেন চাদনীর বাবা। মামলার পর জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১ এর একটি গোয়েন্দা দল অতি দ্রুততার সঙ্গে ছায়া তদন্ত শুরু করে ও নজরদারি বাড়ায়। পরবর্তীতে ১৭ মে রাতে নিলয় নামে এক আসামিকে আটক করে র‌্যাব।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/আরএ