Alexa শিল্প ও পরিবহন খাতে নতুন সহযোগী পেট্রোম্যাক্স এলপিজি

ঢাকা, বুধবার   ২১ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৭ ১৪২৬,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

শিল্প ও পরিবহন খাতে নতুন সহযোগী পেট্রোম্যাক্স এলপিজি

 প্রকাশিত: ১৩:৪২ ২৯ এপ্রিল ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের শিল্প, গৃহস্থালি ও পরিবহন খাতকে সমৃদ্ধ করতে বাজারে যুক্ত হলো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন কোম্পানি পেট্রোম্যাক্স এলপিজি। পেট্রোম্যাক্স বাংলাদেশের শিল্প গৃহস্থালি পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পেট্রোম্যাক্স এলপিজির উদ্বোধন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ আবাসিক এলাকা বর্তমানে এলপিজি সুবিধা পাচ্ছে। ভবিষ্যতে শতভাগ মানুষ যেন এ সুযোগ-সুবিধা পায় তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে এখন মূল টার্গেট। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ দিতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পেট্রোম্যাক্স সহযোগীর ভূমিকা রাখবে। এরইমধ্যে তাদের প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রতি অনুরোধ, চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত যেন কার্যক্রম শুরু করা না হয়।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, এক মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন। তবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাইয়ের পর পেট্রোম্যাক্সের অনুমোদন নিশ্চিত হবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান, সিরাজগঞ্জ ২ আসনের ডা. হাবিবে মিল্লাত, পেট্রোম্যাক্স এলপিজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম এবং পেট্রোম্যাক্স এলপিজির চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার।

পেট্রোম্যাক্স এলপিজির চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল হায়দার বলেন, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ দিন দিন কমে যাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। মূল্যবান প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গৃহস্থালি, পরিবহন, যোগাযোগ ও শিল্প-কারখানাযর জন্য একটি সুন্দর সমাধান দরকার। সেই কাজটি করার চেষ্টা করছে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি।

পেট্রোম্যাক্স এলপিজির পরিচালক ফরিদুল আলম বলেন, পেট্রোম্যাক্স এলপিজি লিমিটেডের বিনিয়োগে মংলা বন্দর এলাকায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টনের বেশি মজুদ ক্ষমতাসম্পন্ন এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। যা বছরে প্রায় ৯০ লাখ সিলিন্ডার বোতলজাতকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন। ঢাকা ও আশেপাশের চাহিদা পূরণে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি স্যাটেলাইট প্লান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। যার মজুদ ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন,  সিলিন্ডার আমদানি নির্ভরতা কমানো ও এলপিজি গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেট্রোম্যাক্স সিলিন্ডার লিমিটেডের বিনিয়োগে টাঙ্গাইলে স্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন সিলিন্ডার উৎপাদন অবকাঠামো। যা প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখের বেশি সিলিন্ডার তৈরি করতে সক্ষম। সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে প্রায় ২৫০ জন পরিবেশক নিয়োগ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ পরিবহন নিশ্চিত করতে ১ টি এলপিজি ও ৬ ছয়টি রোড ট্যাংকার সংযুক্ত করা হয়েছে।

ফরিদুল আলমের আশা পেট্রোম্যাক্স এলপিজি দেশে এলপিজির সেরা ব্র্যান্ড হবে। তিনি বলেন, তাদের এলপিজি মজুদ ক্ষমতা অনেক বেশি। এছাড়া নিজেরাই সিলিন্ডার তৈরি করছে। তাই তারা অনেকের চেয়ে কম মূল্যে এলপিজি বিক্রি করতে পারবে।

প্রাথমিকভাবে ১২ ও ৩৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারে এলপিজি গ্যাস বাজারজাত করবে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে

Best Electronics
Best Electronics