Alexa শিল্পীদের তহবিলের টাকা নিয়েছেন ফেরদৌস-রিয়াজ!

ঢাকা, শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৩ ১৪২৬,   ১৯ সফর ১৪৪১

Akash

শিল্পীদের তহবিলের টাকা নিয়েছেন ফেরদৌস-রিয়াজ!

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৭ ৯ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪০ ৯ অক্টোবর ২০১৯

জায়েদ খান, রিয়াজ ও ফেরদৌস আহমেদ

জায়েদ খান, রিয়াজ ও ফেরদৌস আহমেদ

গত বছর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ও শো ব্লিজ এন্টারটেইনমেন্টের যৌথ আয়োজনে নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে একটি কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনেক তারকাই অংশ নেন। মূলত অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য তহবিল গঠন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কথা ছিল কনসার্টের অর্থ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ফান্ডে জমা হবে। কিন্তু প্রারিশ্রমিক হিসেবে সেখান থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নেন ফেরদৌস ও রিয়াজ। 

মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানান শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদ জায়েদ খান। আসছে ২৫ অক্টোবর শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিকী নির্বাচন। নির্বাচনের আগে সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক চলছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন তাদের কমিটিরই সহ-সভাপতি রিয়াজ ও কার্যনিবাহী সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। 

মূলত তাদের অভিযোগের বিপরীতে কথা বলতে গিয়ে জায়েদ খান বলেন, নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। আর্থিক অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য আট লাখ টাকার ফান্ড করেছিলাম। অনেকেই বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে রাজি হননি। সেখান থেকে চার লাখ টাকা নিয়েছে কমিটির সদস্য ফেরদৌস ও সহসভাপতি রিয়াজ। পরে তারা প্রত্যেকেই ৫০ হাজার করে টাকা প্রারিশ্রমিক নিয়েছেন।

শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করতে নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার আজ ধ্বংসের পথে উল্লেখ করে জায়েদ বলেন, শিল্পী সমিতির নির্বাচন, সাধারণ সম্পাদকের আসনে না থাকলে আমার ক্যারিয়ার বর্তমানে যে অবস্থায় আছে তার চেয়ে অনেক ভালো হতো। গত দুই বছরে ৪-৫টা ছবি মুক্তি পেত। সমিতিকে ভালোবাসার কারণে আমার ক্যারিয়ার পিছিয়েছে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে জায়েদ বলেন, নির্বাচনে কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না। শিল্পীরা যাকে ইচ্ছে ভোট দেবেন। আমি যদি হারি, যিনি জিতবেন তার গলায় মালা পরিয়ে দেব। পরদিন থেকে আবার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।

এদিকে, এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর শনিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার। এর মধ্যে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় এ পদে জ্যাকি আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

অন্যদিকে, নির্বাচনের জন্য ১৮টি পদের জন্য ২৭ জন প্রার্থী হয়েছেন। এবার সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মিশা সওদাগর ও মৌসুমী। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জায়েদ খান ও ইলিয়াস কোবরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনএ