.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১২ শা'বান ১৪৪০

শিরোপা লড়াইয়ের প্রথমার্ধে এগিয়ে মালদ্বীপ

 প্রকাশিত: ২০:২০ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:২০ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিত সাফ। বলা যায় সাফে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। কিন্তু দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়েও দুর্ভাগ্য বশত সেমিতে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ওদিকে কোনো গোল ছাড়াই জয় না পেয়েও সাফের সেমিতে উঠেছিল মালদ্বীপ। আর সেই মালদ্বীপ এখন ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে। আর শিরোপা লড়াইয়ে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল মালদ্বীপ।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার সুজুকি কাপের শিরোপা লড়াইয়ের শুরুটা সাদা মাঠা ভাবেই হয়। তবে মালদ্বীপ ইন্ডিয়াকে বেশ চাপে রাখতে শুরু করে। আক্রমণের পর আক্রমণ চালাতে থাকে ভারতের গোল বার লক্ষ্য করে। কিন্তু ভারতের ডিফেন্সও এত সস্তা না। তাই বেশ বেগ পেতে হয় মালদ্বীপকে। তবে ১৮ মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে মালদ্বীপের হাসান নিয়াজের থ্রুতে ভারতের গোল বারের কাছে বল পায় ইব্রাহীম। আর বলে পা ছুয়ে দিয়েই দলকে শিরোপার দিকে একটু ঠেলে দেন তিনি (১-০)। এরপর ভারত ও বেশ আক্রমণত্মক হয়ে ওঠে কিন্তু বেশ সুবিধা করে উঠতে পারেনি তারা। ৪১ মিনিটে মালদ্বীপের আলী ফাসির ভারতের গোল বারের বা পাশ থেকে ফ্রি কিক করলে তা গোল বারের উপর ছুয়ে চলে যায়। আর এতে একটা বড় সুযোগ হারায় তারা। এরপর দুই দলের চেষ্টা চলতে থাকলেও গোলের দেখা না পাওয়াই ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত।

ঢাকায় এটি ভারত-মালদ্বীপের দ্বিতীয় ফাইনাল। ২০০৯ সালেও তারা ফাইনাল খেলেছিল এ টুর্নামেন্টে। মালদ্বীপ ঢাকায় ফাইনাল খেলছে তৃতীয়বারের মতো। ২০০৩ সালে তারা ফাইনালে হেরে যায় বাংলাদেশের কাছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভারত ও মালদ্বীপের পার্থক্য অনেক। দুই দলের অতীত মুখোমুখিতে জয়ে পাল্লা অনেক ভারি ভারতের।

দুই দল আগে ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে। ভারত জিতেছে ৮টি, মালদ্বীপ ২টি। একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। আর ফিফা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ম্যাচে দুই দেশের আগের সাক্ষাৎ ১৮ বার। ভারত জিতেছে ১৩ বার। মালদ্বীপ ৩ বার, দুটি ম্যাচ ড্র।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস/এমআরকে