.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে এখনও ১২টি ফেরি বন্ধ

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০:১৭ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৫:০৬ ৫ মার্চ ২০১৯

১২টি ফেরি বন্ধ থাকায় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটটি। সেই সঙ্গে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের ভিড়ে লঞ্চ-স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।

আজ বুধবার সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চ ও স্পিডবোট হয়ে কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। সেই সঙ্গে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে।


গত ১০ দিনে পদ্মায় দ্রুত ৬২ সে.মি. পানি কমে দেশের ব্যস্ততম শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের নাব্যতা সঙ্কট ও ডুবোচর প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফেরি সার্ভিসে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এ কারণে লঞ্চ ও স্পিডবোট অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে পদ্মা নদী পার করছে যাত্রীদের। নৌরুটটি পরিদর্শনে এসে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর মোজাম্মেল হক।

জানা যায়, তীব্র নাব্যতা সঙ্কট ও ডুবোচরের কারণে গত ছয়দিন ধরে উচ্চ ড্রাফটের চারটি রো রো ফেরি, ১টি কে-টাইপ ফেরি ও তিনদিন ধরে ৭টি ডাম্ব ফেরি বন্ধ রয়েছে।


অন্য ৭টি ফেরি কোনো রকমে হালকা যানবাহন নিয়েও ডুবোচরঘেঁষে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দীর্ঘ সময় ব্যয় করে মাত্র ১৫টি ট্রিপ দিয়েছে ফেরিগুলো। কার্যত অচল হয়ে পড়েছে ফেরি সার্ভিস।

ফেরি সার্ভিসের অচলাবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ফেরি কর্তৃপক্ষ জানায়, অস্বাভাবিক হারে পানি কমতে শুরু করায় ১ জুলাই থেকে এ রুটের চারটি রো রো ফেরিসহ পাঁচটি ফেরি বন্ধ রাখা হয়। প্রতিদিনই পানি কমে গত এক সপ্তাহে পদ্মায় পানি হ্রাস পায় ৪০ সে.মি। রয়েছে স্রোতের গতিবেগ ৫ কিউসেক মাইল। অথচ ড্রেজারগুলো স্রোতের প্রতিকূলে কাজ করতে পারে ২.৫ কিউসেক মাইল। এ অবস্থায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে