Alexa শিগগিরই বাজারে আসছে সোনালী ব্যাগ: পাটমন্ত্রী

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

শিগগিরই বাজারে আসছে সোনালী ব্যাগ: পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ২২:০০ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২২:০৬ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পাটকে বাংলাদেশের মহামূল্যবান ঐতিহ্যবাহী সম্পদ উল্লেখ করে এ থেকে তৈরি ‘সোনালি ব্যাগ’ খুব শিগগিরই বাজারে আসছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

মঙ্গলবার ঢাকার ডেমরার লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস পরিদর্শনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান শাহ মো. নাসিম, সোনালি ব্যাগের উদ্ভাবক ও বিজেএমসি বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাটকে কাজে লাগিয়ে দেশকে আরো এগিয়ে নিতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। পাট ও পাটশিল্পের উন্নয়নে যে বাজেট লাগবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সেটার ব্যবস্থা করবে। পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ খুব দ্রুত বাংলাদেশকে সারাবিশ্বে ব্র্যান্ডিং করবে। সেজন্য সরকার যত দ্রুত সম্ভব পাট থেকে তৈরি পলিথিন ব্যাগ বাজারজাত করবে।

তিনি জানান, বর্তমানে বিজেএমসি’র উদ্যোগে একটি ম্যানুয়েল পাইলট প্ল্যান্ট দিয়ে ‘সোনালি ব্যাগ’ তৈরির কাজ চলছে। তবে বৃহৎ পরিসরে নতুন উদ্ভাবিত সোনালি ব্যাগ তৈরিতে মেশিনের জন্য বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেশিয় প্রযুক্তিতে মেশিন তৈরি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ হাজার পলিব্যাগ উৎপাদন করা সম্ভব।

দস্তগীর গাজী বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম পাট থেকে সোনালি ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। সারাবিশ্বে পাটের ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সরকার। এই পাটের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আরো বেশি সম্মান পাবে। সারাবিশ্ব বাংলাদেশকে অনুকরণ করবে। এই সোনালি ব্যাগ পরিবেশবান্ধব। এটি খুব সহজে পঁচে যায়। ফলে পরিবেশ দূষণের বিষয়টি এতে নেই।

এদিকে, সোনালী ব্যাগের উদ্ভাবক ও বিজেএমসি’র বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক হোসেন বলেন, সোনালী ব্যাগ নিয়ে ২০০৮ সালে আমি গবেষণা শুরু করি। সরকার এতে যে সাপোর্ট দিয়েছে, তাতে আশার আলো দেখতে পারছি। এজন্য আরো নতুন মেশিন দরকার। আর অটোমেশন করতে হলে বিদেশি মেশিন দরকার।

তিনি জানান, এই ব্যাগ পলিথিন ব্যাগের চেয়েও দেড়গুণ বেশি শক্তিশালী। এ প্রেক্ষিতে সরকারের কাছে বিশ্বব্যাপী এই ব্যাগ ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেন এই বিজ্ঞানী।

এসময় জানানো হয়, সোনালি ব্যাগ দেখতে প্রচলিত পলিথিনের মতোই হালকা, পাতলা ও টেকসই। পাটের সূক্ষ্ম সেলুলোজকে প্রক্রিয়াজাত করে এ ব্যাগ তৈরি করা হয়েছে। পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ মাটিতে ফেললে তা মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। এই ব্যাগ দামেও সাশ্রয়ী হবে। এভাবে পাটের ব্যবহার বাড়লে ন্যায্য দাম পাবেন কৃষক। অতীতের মতো বাংলাদেশ পাট দিয়েই বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত হবে।

পলিথিনের বিকল্প হিসেবে সোনালি ব্যাগ তৈরির একটি প্রকল্প ২০১৭ সালের ১২ মে উদ্বোধন করা হয়। রাজধানীর ডেমরায় লতিফ বাওয়ানী জুটমিলে সোনালি ব্যাগ তৈরির প্রাথমিক পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআইএস

Best Electronics
Best Electronics