শিক্ষা সফটওয়্যারে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড চান উদ্যোক্তারা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শিক্ষা সফটওয়্যারে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড চান উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১১ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

সংগৃহীত

সংগৃহীত

ডিজিটাল শিক্ষাবিষয়ক সফটওয়্যারে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড চান এ খাতের উদ্যোক্তারা। সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড না থাকলে অসম প্রতিযোগিতার কারণে প্রতিষ্ঠিত অনেক সফটওয়্যার কোম্পানি বন্ধ হবে এবং দেশীয় সফটওয়্যারের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বেসিস সফটএক্সপোর শেষ দিন রোববার ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন অব এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট ম্যানেজমেন্ট সলিউশন টু সাপোর্ট ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

গোলটেবিল বৈঠকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, এই মানদণ্ড শিক্ষা ডিজিটালাইজেশনের জন্য অবশ্যই একটা চ্যালেঞ্জ। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কাজ করে যাচ্ছি কিভাবে পুরো এডুকেশন সিস্টেমকে একটি ড্যাশবোর্ড’র মধ্যে আনা যায়। যাতে দেখা যায় কোথায় কি অবস্থায় রয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের কাজ হবে উদ্ভাবনকে আরো বেশি উৎসাহিত করা।

হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, অবশ্যই একটি বেঞ্চমার্ক বা মানদণ্ড থাকা উচিত। এটিকে আমি ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুইভাবেই দেখি। আপনাদের এই মানদণ্ড যেন আবার ইজিপির মতো না হয়। কারণ এই ইজিপিতে দৃশ্যমান কিছুই দেখা যায়না। বাস্তবতা কিন্তু খুবই ভিন্ন। এরকম যাতে না হয় সেদিকেও আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নজর দেয়া উচিত। বিশেষ করে এই তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরটিতে। এটিতে শুধু নীতিগত পৃষ্ঠপোষকতা নয়, আমি মনে করি অর্থনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা করাও জরুরি।

অনুষ্ঠানের মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইমরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান নানা সমস্যা ও এর সমাধানে এই তথ্যপ্রযুক্তি প্রয়োগের সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়েই আজকের আলোচনা। আমাদের এই ডিজিটাল শিক্ষা সফটওয়্যারের একটা সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকা উচিত। না হলে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে যা এই খাতে খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। তিনি জানান, দেশে মোট এডুকেশনাল ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ কোটি ৪০ লাখ আর শিক্ষক ১০ লাখ। কিন্তু সঠিকভাবে ডিজিটাল শিক্ষাদান প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুবই কম। এডুকেশন সফটওয়্যারের জন্য একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্বাচন করা প্রয়োজন।

বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন বেসিসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিজিটাল এডুকেশন’র কো-চেয়ারম্যান ও টেকনোগ্রাম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু। আলোচনায় অংশ নেন বেসিসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিজিটাল এডুকেশন’র চেয়ারম্যান মো. শাকিব রব্বানী, এরিনাফোন বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি, নেটিজেন আইটি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী এইচ রায়হান নোবেল, এস্টিম সফট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শাহজালাল সোহেলসহ বিভিন্ন সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস