শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা টানা ৮ দিন ধরে অনশন করছেন

ঢাকা, সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৭,   ১০ সফর ১৪৪২

শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা টানা ৮ দিন ধরে অনশন করছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১৪ ১৪ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৪:৫৮ ১৪ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি মঙ্গলবার ৮ম দিনের মতো চলছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সোনালী ব্যাংকের সামনে অনশনকারীদের এক কথা, ‘দাবি মোদের একটাই গেজেট করে সনদ চাই’।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয় অনশনস্থল।

এর আগে, সোমবার রাতে অনশনরত শিক্ষানবিশ আইনজীবী পাপন শেখ (২৭) অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হলে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও অনশনস্থলে অসুস্থ শিক্ষানবিশ আইনজীবী জুবায়ের আল মাহমুদ (৩১), মোহাম্মদ মিরাজ (২৭) ও শামিমুর রেজা রনির (৩০) শরীরে স্যালাইন দেয়া হয়েছে। এর আগেও অনশনস্থলে অসুস্থ দুইজন নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। 

সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার দুপুরে অনশনস্থলে সংবাদ সম্মেলন করেন অনশনরত শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা।

শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ বলেন, যেখানে আমাদের জীবনই সংকটে সেখানে সামাজিক দূরত্ব কি? উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার পর নিয়মিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় শুধুমাত্র আইনজীবী হিসেবে স্বীকৃতি পেতেই আমাদের জীবন থেকে ঝরে গেছে পাঁচ থেকে সাত বছর। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে নির্ঘুম কাটছে প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পরিবার। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অনশন চলবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির কারণে আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রতিবছর পরীক্ষা এবং গত তিন বছরেও এনরোলমেন্ট প্রসেস সম্পন্ন না হওয়ায় ২০১৭ ও ২০২০ সালে এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা না নিয়ে সরাসরি গেজেট প্রদানের মাধ্যমে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তিকরণের দাবিতে গত ৭ জুলাই বিকেল থেকে অনশন করছেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা। 

একই দাবিতে ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এবং বার কাউন্সিলের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকাসহ সারাদেশে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এমআরকে