শাহজাদপুরে ক্ষীরা চাষে ব্যস্ত চাষী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৮ ১৪২৬,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

শাহজাদপুরে ক্ষীরা চাষে ব্যস্ত চাষী

 প্রকাশিত: ১৫:১৩ ৮ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১৬:০৭ ৮ অক্টোবর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মাঠে মাঠে বন্যার পানি শোভা পেলেও উচু জমিতে আগাম জাতের ক্ষীরা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকেরা। বন্যার পানি জমিতে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সম্ভাব্য পানি প্রবেশের রাস্তাগুলো মাটির বস্তা দিয়ে বন্ধ করে পালাক্রমে পাহাড়া দিচ্ছেন চাষীরা। ফলন ও দাম ভাল পেলে লাভবান হবেন ক্ষীরা চাষী।

গাড়াদহ গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, প্রায় একশ বিঘা জমিতে আগাম ক্ষীরার চাষ করেছেন চাষী। জমি উত্তমরুমে চাষবাস করে ভাল জাতের ক্ষিরার বীজ বোপন করেছে। বীজগুলো অঙ্কুরোদগম হয়ে লতায় পরিনত হয়েছে। জমিতে নিরানী দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। দিন রাত পরিশ্রম করে ফসলটি ফলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। মাঠে ঘুরে ঘুরে পরামর্শ দিতে দেখা যাচ্ছে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদেরকেও। যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে তাহলে খুব শিগগিরই কৃষকেরা জমি থেকে ক্ষীরা সংগ্রহ করে বাজারজাত করতে পারবেন। 

গাড়াদহ গ্রামের ক্ষীরা চাষী রোশনাই প্রামানিক জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও তিনি তিন বিঘা জমিতে ক্ষিরার চাষ করেছেন। চাষবাস থেকে শুরু করে এ যাবৎ প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরো প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হবে। যদি ফলন ভালো হয় এবং কোন বালা মছিবত না আসে তাহলে তিন বিঘা জমি থেকে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মনজু আলম সরকার জানান, এবছরে প্রায় দুইশ হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। অনেক উচু জায়গাগুলোতে আগাম জাতের ক্ষীরার চাষ শুরু হয়েছে। বন্যার পরেও নিচু জমিতে ক্ষীরার চাষ হবে। এই ফসলটি দুই মাসের ফসল। বোপনের ত্রিশ দিনের মধ্যেই ফসল হারভেষ্ট শুরু হয়। মাঠে ঘুরে ঘুরে পরামর্শ দিচ্ছে ইউপি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। আশা করি ভাল ফলন ও দাম পেলে চাষীরা লাভবান হবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম