Alexa শাল্লায় পিআইসি গঠনে স্বজনপ্রীতি

ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

শাল্লায় পিআইসি গঠনে স্বজনপ্রীতি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৪:২৪ ১০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:২৪ ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হাওর রক্ষা বাঁধের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। আত্মীয়দের মধ্যে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি অনুমোদন দেয়ায় উপজেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

উপজেলা পাউবো কমিটির সদস্য সচিব উপ-সহকারী প্রকৌশলী শমশের আলী মন্টু বলেন, অর্থের বিনিময়ে প্রকল্প কমিটি গঠনের অভিযোগ সত্য নয়। কে কার আত্মীয় আমার জানা নেই। চেয়ারম্যানরা তালিকা দিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে উপজেলা সভায় আলোচনা হবে।
 
শাল্লা ইউএনও আল-মুক্তাদির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। এমন অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলার শাল্লা ইউপি ব্যতিত আটগাঁও, হবিবপুর ও বাহাড়া ইউপিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি(পিআইসি)অনুমোদন করেছে উপজেলা প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি।

এসব পিআইসিতে আটগাঁও ইউপির কাশিপুর গ্রামে একই পরিবারের এমদাদুল হক, নজরুল ইসলাম, রহুল আমিন, আবুল হোসেন, মাসুদ আলম মিলে নিয়েছে ৩টি পিআইসি।

উজান ইয়ারাবাদ গ্রামের আব্দুস সালাম, তার আপন ভাই বসির মিয়া, ভাই মোস্তাক মিয়া ও জামাতা তকবীর মিয়া ৩টি।

হবিবপুর গ্রামের এক পরিবারের জগদীশ পুরকায়স্থ, রিংকু পুরকায়স্থ, টিটু পুরকায়স্থ মিলে পেয়েছে ২টি পিআইসি।

ডুমরা গ্রামের এক বাড়ির চয়ন চৌধুরী, বিশ্বজিত চৌধুরী নান্টু ২টি ও অন্য একটি পরিবারে লিপটন দাস, দিলীপ দাস ২টি, সুলতানপুরে কবির মিয়া ও তার চাচা মধু মিয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছে ২টি পিআইসি এবং বাহাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিধান চৌধুরী কমিটির সদস্য হওয়ার সুবাদে তার অফিস সহকারী তপন দাস ও ছেলে মিল্টন চৌধুরীর নামে ২টি পিআইসির অনুমোদন নিয়েছেন।

উপজেলা হবিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বলেন,পিআইসি অনুমোদনের সভায় তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তাই এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারছেন না।

শাল্লা ইউপি চেয়ারম্যান জামান চৌধুরী বলেন, আমার ইউপিতে পিআইসি কমিট গঠন হয়নি। কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন চৌধুরী উক্ত সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। আল আমিন চৌধুরী এলেই শাল্লা ইউপিতে পিআইসি গঠন করা হবে।

আটগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম আজাদ ও বাহাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিধান চৌধুরীও সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ