শামলাপুর সমুদ্র সৈকত এখন অনন্য, শরতের এই সময়ে ঘুরে আসুন
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=136845 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

শামলাপুর সমুদ্র সৈকত এখন অনন্য, শরতের এই সময়ে ঘুরে আসুন

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪১ ৭ অক্টোবর ২০১৯  

শামলাপুর সমুদ্র সৈকত

শামলাপুর সমুদ্র সৈকত

নীল আকাশ। ঠিক তার নিচেই স্বচ্ছ সমুদ্র। নির্জন সৈকতে রাশি রাশি সাদা বালু। প্রবল বাতাসে সমুদ্র ঊর্মিমালার ফেনা তোলা মাতামাতি। নির্জনতায় বিশুদ্ধভাবে প্রকৃতির গান শোনা আর শেষ বিকেলের সোনা রোদের আলোর রঙে আঁকা জলছবি দেখা। শরতের এই সময়ে এর সব কিছুই মিলবে শামলাপুর সমুদ্র সৈকতে।

টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নে শামলাপুর সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। এ সৈকত খুব বেশি সরব থাকে না। মাছধরার নৌকা আর জেলেরা ছাড়া সেই ভাবে কোনো মানুষজন চোখে পড়বে না, ঝাউবনে পাওয়া যাবে সবুজ ছোঁয়া। অনেকে একে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত নামেও ডাকেন। এখানকার দৃষ্টি নন্দন ঝাউবনে ঘেরা অপরূপে শোভিত নির্জন সৈকতে এসে ভালো লাগার ষোল আনাই পাবেন!

এই সমুদ্র সৈকতের চারপাশ পাল্টে যায় ক্ষণে ক্ষণে। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি আবার কখনো দমকা হাওয়া। এখন শরৎকাল হওয়ায় জায়গাটির সব রঙই ধরা দেবে আপনার চোখে। বিশেষ করে নজর কাটবে পড়ন্ত বেলায় দৃশ্যগুলো। জেলেরা ট্রলারগুলোকে টেনে তুলে রাখে সৈকতে। পাশের ঝাউবনে সমুদ্রে বাতাসের হিল্লোল মনকেও ছুঁয়ে যায়। পড়ন্ত বিকেলে সূর্যের রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ে বেলাভূমি জুড়ে। এ যেন এক স্বর্গীয় আবহ।

শামলাপুর সমুদ্র সৈকত

খুব ভোরে যদি যান দেখতে পাবেন আরেক রূপ। সাদা বালুতে ঝাঁকে ঝাঁকে নামে লাল কাঁকড়ার দল। যেন লাল মিছিল! আর দেখা যায় সীগালসহ নাম না জানা ছোট্ট ছোট্ট সামুদ্রিক পাখিগুলো। সৈকত জুড়ে রয়েছে নোঙ্গর করা সুন্দর জেলেদের নৌকা আর ট্রলার। অন্যান্য সময়ে জেলেদের জাল দিয়ে মাছ ধরা, স্থানীয় শিশুদের দৌড়ঝাঁপ আর তার নীল জলরাশির শোঁ শোঁ গর্জন যে কারো মনকে মুগ্ধ করবেই।

যেভাবে যাবেন

কক্সবাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ রাস্তা ধরে দু’ঘণ্টা গেলেই শামলাপুর বা বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতের দেখা মিলবে। টেকনাফ থেকেও যেতে পারেন; হোয়াইক্যং রোড ধরে ২০ কিলোমিটার দূরত্বে শামলাপুর। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য হোয়াইক্যং রোড ধরে শামলাপুর পর্যন্ত পথটুকু দারুণ উপভোগ্য হবে নিঃসন্দেহে। এর জন্য টেকনাফের বাসে চড়ে টেকনাফ সড়কের হোয়াইক্যং রোড নামতে হবে। তারপর ধমধমিয়া হয়ে চলে যেতে হবে শামলাপুর সমুদ্র সৈকত।

শামলাপুরে থাকা খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। কক্সবাজার বা ইনানীই ভরসা। তবে চলতি পথে ছোটখাট কিছু বাজার ও দোকানের দেখা পাবেন। সেখানেই সারতে পারবেন প্রয়োজনীয় কাজ। একটা বিষয় সবসময় খেয়াল রাখবেন, আপনার বা আপনার ভ্রমণ সঙ্গীদের দ্বারা পরিবেশ হুমকিতে পড়ে এমন কোনো কিছু অবশ্যই করা চলবে না। পলিথিন বা প্লাস্টিকের বোতলসহ পরিবেশ বিপন্ন হয় এমন কিছু ফেলে আসবেন না সমুদ্র সৈকতে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে