শাখা ব্যাংকে মিলছে না নতুন নোট

ঢাকা, সোমবার   ২০ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

শাখা ব্যাংকে মিলছে না নতুন নোট

 প্রকাশিত: ১৩:৩৪ ৬ জুন ২০১৮  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ঈদ মানেই কিছু বাড়তি আয়োজন। খুশির ছন্দে নতুন নৃত্য। এ ছন্দে নতুন মাত্রা যোগ করে ঈদ সালামি। আর নতুন টাকার নোট ছাড়া যেন আনন্দটা পূর্ণতা পায় না।

বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রতি বছরই ঈদ সামনে করে নতুন টাকার নোট ইস্যু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছড়িয়ে দেয়া হয় বিভিন্ন শাখায়। এবছরও হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লার সাধারণ গ্রাহকরা পাচ্ছে না নতুন ব্যাংক নোট।

কুমিল্লা সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখা থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিয়ে যাচ্ছে এসব নতুন নোট।

নাম না প্রকাশ করা শর্তে কুমিল্লায় কর্মরত বিভিন্ন ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজাররা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য প্রতি বছর নতুন নোট ইস্যু করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য চাহিদা অনুযায়ী আমরা নতুন নোট পাই না। যা দেয়া হয় তা আমাদের চাহিদা না। নতুন নোটের মধ্যে ৫,১০,২০,৫০ টাকা নোটের চাহিদা বেশি থাকলেও আমাদের দেয়া হয় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট। যা আমাদের চাহিদা নয়।

তারা জানান, কুমিল্লার মনোহরপুর সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা থেকে প্রায় ৪৮টি  শাখা ব্যাংকে নতুন নোট ইস্যু করার কথা। গত ৩ মে ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট ইস্যু করলেও ৫ জুন পর্যন্ত নতুন নোট পাচ্ছি না। হয়ত আমাদের নতুন নোট সরবরাহ করবে তবে ঈদের দু’এক দিন আগে।

গড়ে একেকটা ব্যাংকের ১৫ লাখ টাকার ৫,১০,২০,৫০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা থাকলেও শাখা ব্যাংকগুলোকে ৫০০ ও ১হাজার টাকার নতুন নোট দেয়া হচ্ছে। তাও প্রতিটি শাখাকে গড়ে ২/৩ লাখ টাকার।

এক অনুসন্ধানে জানা যায়, কুমিল্লায় সোনালী ব্যাংকের মনোহরপুর কর্পোরেট শাখা থেকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা ব্যাংক থেকে নতুন নোট নিয়ে যাচ্ছে, এতে করে সোনালী ব্যাংক থেকে নতুন নোট তার শাখা ব্যাংকে দিতে পারছে না। গত বছরও একই নিয়মে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ব্যাংক থেকে নতুন নোট  নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখার জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো.  মোজাম্মেল হক খান জানান, সোনালী ব্যাংক অন্য ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নোট না দিয়ে কারো চাপে পড়ে নতুন প্রভাবশালীদের নোট দিয়ে দেয়। কারণ আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেই আমাদের কী পরিমাণ নতুন নোটের চাহিদা আছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নোট দেয় না। এ বছর আমাদের নতুন নোটের চাহিদা ২০০ কোটি টাকা। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের সম্ভবত ৫০ কোটি টাকার নতুন নোট দিবে। ফলে সবার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

Best Electronics