.ঢাকা, সোমবার   ২৫ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১১ ১৪২৫,   ১৮ রজব ১৪৪০

শরীর সুস্থ রাখতে দৌড়াতে হবে নিয়ম মেনে

 প্রকাশিত: ২০:২৩ ২১ জুলাই ২০১৭  

দৌড় একটা সাধারণ অথচ সুকার্যকর ব্যায়াম। এর জন্য কোনো রকম বাড়তি খরচ ছাড়াই এ ব্যায়ামটি সবাই করতে পারে। এই ব্যায়ামটি শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি খরচে দারুণ কার্যকর। তবে দৌড় শুরুর আগে কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা কেবলই দৌড় শুরু করছে। কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে তেমন কোনো সমস্যা ছাড়াই পাড়ি দেওয়া যাবে দীর্ঘ পথ। বন্ধুদের আমন্ত্রণ : দৌড়ানোর সময় একজন সঙ্গী থাকলে ভালো হয়। যার থাকবে সমান দক্ষতা, সেই সঙ্গে স্ট্যামিনাও। এতে একা একা দৌড়ানোর বিরক্তিভাবও থাকবে না। এতে শুধু যে দৌড়ানোর জন্য উৎসাহ পাওয়া যাবে তা নয়, নিয়মিত হতেও সাহায্য করবে। হয়তো কোনো একদিন দৌড়ানোর উৎসাহ পাওয়া যাচ্ছে না, এ সময় বন্ধুরাই দৌড়াতে উদ্বুদ্ধ করতে পারবে। এতে রুটিন ঠিক রাখাও সহজ হবে। ধীরে শুরু : সাধারণত দেখা যায় কেউ যখন ব্যায়ামের জন্য দৌড়ানোর পরিকল্পনা করে তখন সে দীর্ঘ সময় ধরে দৌড়ায়। কিন্তু এটা মোটেও ঠিক নয়। বরং শুরুটা করা উচিত ধীর গতিতে এবং ধীরে ধীরে দৌড়ানোর সময় বাড়ানো উচিত। শুরুতে দূরত্বের প্রতি মনোযোগী না হয়ে দৌড়ানোর প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত। দৌড়কে উপভোগ করার জন্য শুরুতে দুই মিনিট জোরে হেঁটে এক মিনিট দৌড়ানো যেতে পারে। এমনটা করলে বার বার পুনরাবৃত্ত করতে হবে। সঠিক কৌশল ব্যবহার : সঠিক কৌশল ব্যবহার করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। হালকা করে দৌড়ানোর সময় পেট যেন নড়াচড়া করে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। সেই সঙ্গে কিছু স্ট্রেচিং করা যেতে পারে। স্ট্রেচিং ভালো দৌড়ানোর জন্য সহায়ক। উপযুক্ত জুতা : দৌড় শুরু করার জন্য উপযুক্ত জুতা ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক মাপের জুতার জন্য জুতার দোকানে যাওয়া যেতে পারে, তবে ক্রীড়াসামগ্রী বিক্রি করে এমন দোকান থেকেই এগুলো কেনা ভালো। তবে কেনার আগে অবশ্য সতর্ক হতে হবে, কেননা যদি ভুল জুতা কেনা হয় তাহলে ইঞ্জুরিতে পড়ার শঙ্কা থেকে যাবে। এমনকি পা মচকেও যেতে পারে। সুতরাং জুতা কেনার আগে দেখতে হবে এটা শুধু আরামদায়ক হলেই হবে না, ঠিকমতো যেন পায়ে খাপ খায় সেটিও লক্ষ্য রাখতে হবে। রুটিন পরিবর্তন : প্রত্যেক ট্রেনার এ বিষয়টির উপর গুরুত্ব দেবেন এটাই স্বাভাবিক। রুটিন পরিবর্তন করলে শরীরের সংযোগস্থানগুলো ইঞ্জুরি থেকে দূরে রাখে। এ কারণে দৌড়ানোর বিকল্প নয়, এমন ধরনের খেলাধুলা মাঝে মাঝে যোগ করা যেতে পার। যেমন— ব্যাডমিন্টন, সাঁতার। এতে শরীর একই ধরনের ব্যায়ামের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে পড়া থেকে মুক্তি পাবে। তা ছাড়া রুটিন পরিবর্তন করলে আরও কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন দ্রুত ওজন কমা। ডেইলি বাংলাদেশ/আইজেকে