Alexa শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা ডাকাতদের হানা!

ঢাকা, শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৩ ১৪২৬,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা ডাকাতদের হানা!

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:০০ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১০টি ঘরে ডাকাতি হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা ডাকাতরা জড়িত বলে দাবি করছেন ক্যাম্পের বাসিন্দারা।

শনিবার ভোরে উপজেলার হ্নীলা ইউপির লেদার আলীখালি ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় এসব ঘর থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ ও প্রায় দুই লাখ টাকা লুট করে। ডাকাতির শিকাররা হলেন–টেকনাফের লেদার আলীখালির রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-নাইনের বাসিন্দা নুর হোসেন, আবদুর রহমান, জাকির হোসেন, সায়রা খাতুন, মো. কাসিম, মো. সিরাজুল, রফিক, মো. ইসমাইল, ইমান ও গুড়া মিয়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোহাম্মদ মনির।

ডাকাতির শিকার নুর হোসেন বলেন, হঠাৎ অস্ত্রসহ মুখোশধারী চারজন লোক ঘরে ঢুকে পড়ে। তারা অস্ত্র ঠেকিয়ে ঘরে থাকা মালামাল বের করতে বলে। ছোট মেয়ের একটি কানের দুল ছিল। সেটি প্রাণের ভয়ে দিয়ে দেই। পরে শুনেছি, আরো বেশ কয়েকটি ঘরে ডাকাতি হয়েছে।

রোহিঙ্গারা জানান, ডাকাতরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-নাইন এলাকার ১০টি ঘরে হামলা চালায়। প্রতি ঘরে চারজন করে ডাকাত ঢুকে। তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণ ও টাকা লুট করে। ডাকাতরা যাওয়ার সময় ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পাহাড়ের দিকে ঢুকে পড়ে। তাদের অধিকাংশের পরনে লুঙ্গি ও গেঞ্জি ছিল। তবে হতাহত হননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোহিঙ্গারা জানান, ক্যাম্পের পেছনের পাহাড়ে রোহিঙ্গা ডাকাতদের দুটি গ্রুপের আস্তানা রয়েছে। এছাড়া গ্রামের সশস্ত্র একটি বাহিনী তাদের সঙ্গে রয়েছে। দিনে পাহাড়ে আর রাতে ক্যাম্পে চষে বেড়ায় তারা। এসব গ্রুপে আবদুল হাকিম, মোহাম্মদ সেলিম, কামাল, মো. আমিন, জুহুর আলম, শাহ নেওয়াজ, জমির আহমদ, জহির আলম ও মো. হাসানসহ দুই শতাধিক সদস্য রয়েছে। তারা এ ধরনের ঘটনার ঘটায়। এছাড়া খুন, ধর্ষণ, ইয়াবার ব্যবসা, মানবপাচার, অপহরণ অপরাধে তারা জড়িত।

আলীখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, ডাকাতির বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। রাতে অস্ত্রধারীরা ঘরে ঢোকায় ক্যাম্পের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।

এসআই মোহাম্মদ মনির বলেন, ডাকাতির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। এ ঘটনা কারা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, রোহিঙ্গা ডাকাতরা’ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। পুলিশ গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি তদন্ত করছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ