শরণখোলায় সরকারি স্কুল ভাড়া দেয়ার অভিযোগ 
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192384 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

শরণখোলায় সরকারি স্কুল ভাড়া দেয়ার অভিযোগ 

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪৭ ৬ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:৫২ ৬ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাগেরহাটের শরণখোলায় শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে উপজেলার ২৯ নম্বর সাউথখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। করোনা দুর্যোগের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোতালেব হোসেন হাওলাদার শতাধিক নির্মাণ শ্রমিকের কাছে বিদ্যালয়ের ৩টি ভবনের একাধিক কক্ষ মাসিক ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে ভাড়া দেন।

এছাড়া বিদ্যালয় সংলগ্ন গাবতলা বাজারের ব্যবসায়ী মো. পারভেজ খান ওই শ্রমিকদের মাঝে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবার করে মাসিক ৫ হাজার টাকায় চুক্তি করেছেন।

জানা গেছে, নির্মাণ কাজের জন্য জনৈক ঠিকাদারের মাধ্যমে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে শতাধিক শ্রমিক উপজেলার সাউথখালী ইউপির ওই এলাকায় আসেন। এর পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী পারভেজ খানের সহযোগিতায় সরকারি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোতালেব হোসেন ও স্কুলের সভাপতি আ. খালেক খানের যোগসাজশে বিদ্যালয়ের ৩টি ভবন ভাড়া দেয়া হয়।

শ্রমিকদের এক সহকারি (সর্দার) পরিচালক বলেন, মাসিক দশ হাজার টাকায় ভাড়া হয়েছে কিনা জানি না। তবে আমরা (শ্রমিকরা) স্কুলের যে টয়লেট ব্যাবহার করছি সেজন্য মাসে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। 

তবে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় এক সমাজসেবক বলেন, কারো কোনো অনুমতি ছাড়া প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি এবং শিক্ষা কর্মকর্তা মিলে এ কাজ করছেন।বিষয়টি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।

ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন খান বলেন, স্কুলটি ভাড়া দিয়েছে কিনা জানি না। তবে শ্রমিকরা চলে যাওয়ার সময় কিছু টাকা দিয়ে যাবেন। যা দিয়ে স্কুল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হবে। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোতালেব হোসেন বলেন, স্কুলে থাকার জন্য কাউকে অনুমতি দেই নাই । বিষয়টি সভাপতি জানেন।

অন্যদিকে স্কুলের সভাপতি আ. খালেক খান বলেন, স্কুল ভাড়া দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। দুর্যোগ থেকে সাউথখালীবাসীকে রক্ষার্থে বাঁধের কাজের জন্য ওই সব শ্রমিকদের সাময়িকভাবে থাকতে দেয়া হয়েছে। শ্রমিকরা চলে যাওয়ার সময় কিছু টাকা দিবেন। ওই টাকায় পরবর্তীতে টয়লেটগুলো পরিষ্কার করা হবে। এছাড়া বিষয়টি শিক্ষা অফিসার অবগত আছেন। 

এ ব্যাপরে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশ্রাফুল ইসলামসহ বাজার ব্যবসায়ী পারভেস খানের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।   

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ