ঢাকা, শুক্রবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৯ ১৪২৫,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

শতভাগ নতুন বইয়ের অপেক্ষায় শিক্ষকরা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:২২ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৬:২৬ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঝালকাঠি জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ বই প্রাপ্তির আশায় রয়েছেন মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

বই আসতে শুরু করলেও চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ নতুন বই এখনও এসে পৌঁছেনি।

জানাগেছে, ঝালকাঠি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী উপজেলা ভিত্তিক শতভাগ নতুন বই এসে পৌঁছেছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, রাজাপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ আলমগীর, নলছিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. সালেহা খাতুন, কাঁঠালিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোকসুদুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- প্রাথমিকে সদর উপজেলায় ১ লাখ ৯ হাজার ৪১৩, নলছিটি উপজেলায় ৯৯ হাজার ৭৫০, রাজাপুর উপজেলায় ৭৬ হাজার ৭৭০, কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৬৩ হাজার ২০৭ টি নতুন বইয়ের চাহিদা দেয়া হয়।

এরইমধ্যে শতভাগ বই পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাগণ জানিয়েছেন।

অপরদিকে জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যাশনাল কারিকুলাম টেক্সট বুক (এনসিটিবি)’র কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে ৯ লাখ ৪ হাজার ৯০ টি নতুন বইয়ের। চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই বরাদ্দ করেছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৮ লাখ ১৩ হাজার ৫টি বই এসে পৌঁছেছে। ঘাটতি রয়েছে ৯০ হাজার ৫৯০টি বইয়ের।

দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে ৩লাখ ৯ হাজার ১১০ টি নতুন বইয়ের। চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই বরাদ্দ করেছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭১ হাজার ১৯০টি বই এসে পৌঁছেছে। ঘাটতি রয়েছে ২লাখ ৩৭ হাজার ৯২০টি বইয়ের।

এবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে ১লাখ ৬৯ হাজার ৩১০ টি নতুন বইয়ের। চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই বরাদ্দ করেছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩১০ টি নতুন বই এসে পৌঁছেছে। শতভাগ প্রাপ্ত হওয়ায় কোন ঘাটতি নেই।

এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে ২৬ হাজার ৬৯০ টি নতুন বইয়ের। চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই বরাদ্দ করেছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ২২ হাজার ৮৬৫টি বই এসে পৌঁছেছে। ঘাটতি রয়েছে ৩ হাজার ৮২৫টি বইয়ের।

দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে ১ হাজার ২৬০ টি নতুন বইয়ের। চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই বরাদ্দ করেছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৭০টি বই এসে পৌঁছেছে। ঘাটতি রয়েছে ৯৯০টি বইয়ের।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইয়াদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদাপত্র অনুযায়ী বই এরইমধ্যে আমাদের কাছে এসে পৌছেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ বই গ্রহণ করেছেন। কিছু দিনের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় বই প্রদান করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা শিক্ষা অফিসার মো. সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই আমাদের কাছে অনেক বই এসেছে। বাকি বইগুলোর অপেক্ষায়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই সব চলে আসবে। নতুন বছরের প্রথম দিনেই আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্য বই তুলে দিতে পারবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে