Exim Bank Ltd.
ঢাকা, রবিবার ২২ জুলাই, ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

শচীন টেন্ডুলকার: আধুনিক গ্রেটেস্ট, কিন্তু...

শামস রহমানডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ফাইল ছবি

ক্যাপশন দেখে ভড়কে গেলেন? ভাবছেন এ আবার কোন অর্বাচীন, শচীনের শ্রেষ্ঠত্বে কিন্তু বসায়?

না না, ভুল ভাববেন না, আমি শচীন টেন্ডুলকারের গ্রেটনেসে কিন্তু লাগাচ্ছি না, সে যোগ্যতা আমার নেই।

শচীন টেন্ডুলকার যে আধুনিক ক্রিকেটে গ্রেটেস্ট তা নিয়ে সন্দেহ কারো নেই, এতদিন ধরে এতখানি ব্যাটিং শৌর্য দেখানো একজনকে গ্রেটেস্ট বলতে আসলে আপত্তিটা কোথায়, আমি তা খুজে পাই না।

তবে তারপরও একটা কিন্তু থাকে, যেটা ধরে বারবার সমালোচকরা সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করেছেন ভারতের এই ক্রিকেট সম্রাটকে।

‘শচীনের কেন টেস্টে বড় ইনিংস নেই? বা কেনই বা নেই অসাধারণ সব চোখ ধাধানো ম্যাচজয়ী বা ম্যাচ বাচানো ইনিংস, যা জন্ম জন্মান্তর ধরে ক্রিকেট রূপকথার অবিস্মরণীয় গল্প হয়ে থাকবে?’প্রশ্নটা থাকেই। শচীনের সর্বোচ্চ ইনিংস ২৪৮*, ২০০৪ সালে টেস্টে দুধ ভাত এক বাংলাদেশের সাথে। সে ম্যাচেও অবশ্য তিন বার তার প্রতি দয়া দেখিয়েছিলেন আমাদের ফিল্ডাররা, সেটা পঞ্চাশ ছোয়ার আগের কথা। এমনকি, তার প্রথম ক্যাচটা যখন পড়ে, তখন তার রান শূন্য।

শচিনের টেস্টে সর্বচ্চ ইনিংস বাংলাদেশের সাথে ২৪৮*। ছবিসূত্র – আইসিসি টুইটার

ডন ব্র্যাডম্যান, ব্রায়ান লারা বাদ দিন, ভিরেন্দর শেবাগ বা ক্রিস গেইলের মত `টেস্টমেজাজহীন` ব্যাটসম্যানদের টেস্টে যেখানে দু-দুটো ট্রিপল সেঞ্চুরি আছে, সেখানে শচীনের নেই একটিও, আড়াইশই পেরোননি কখনও!

সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান ডন ব্র্যাডম্যান। ছবিসূত্র – উইজডেন

বা কোথায় লারার বার্বাডোজের ১৫৩*, ভিভিএস লক্ষ্মণের ২৮১ এর মত ইনিংস যা রূপকথা হয়ে ছড়িয়ে পড়বে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে?

ব্রায়ান লারার ইনিংসগুলো ক্রিকেট রুপকথারই অংশ। ছবিসূত্র – ইএসপিএনক্রিকইনফো

ওয়ানডেতে শচীন তুলনাহীন, সেখানে তার তুলনাহীন ম্যাচ জেতানো ইনিংসের অভাব নেই। যদি বলতে বলেন তাহলে বলবো শারজায় অস্ট্রেলিয়াকে গুড়িয়ে দেওয়া সেই ডিজার্ট স্টর্ম নকের কথা, যেই ম্যাচের পর শেন ওয়ার্নরা ভারতীয় ড্রেসিংরুমে তার অটোগ্রাফের জন্য দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। বা গোয়ালিয়রে ৩৭ বছরে করা ক্রিকেট ইতিহাসের ডাবল সেঞ্চুরিও বা কম কিসে? কিংবা ২০০৩ এ সেঞ্চুরিয়নে পাকিস্তানি গতির সামনে দাঁড়িয়ে করা ৭৩ বলে ৯৮, সে সব কি এত সহজে ভোলা যায়?

কিন্তু দিনশেষে, ক্রিকেট নামক স্বর্ণের কষ্টিপাথর সেই টেস্ট ক্রিকেটই। আর এই জায়গাতেই শচীনের বুকে তীর মারার ফাকটা খুজে বের করে ফেলেন সমালোচকরা, বোধকরি এখানেই কিংবদন্তি সাংবাদিক ডেভিড ফ্রিথ শচীনকে তার সেরা পাঁচে রাখেন না। (তার সেরা পাচ - ডব্লিউ জি গ্রেস, ডন ব্র্যাডম্যান, ভিভ রিচার্ডস, গ্রায়েম পোলক, ব্রায়ান লারা। উৎস : শচীন রূপকথা, উৎপল শুভ্র)

উইজডেন যখন ২০০১ সালে সর্বকালের সেরা ১০০ ইনিংসের লিস্ট বের করে, তাতে শীর্ষে ছিল মেলবোর্নে ডনের করা ২৭০, এরপরই লারার বার্বাডোজের সেই অপরাজিত ১৫৩। সেই লিস্টে লারা-ব্র্যাডম্যান আরও থাকলেও টেন্ডুলকার প্রবেশাধিকার পাননি। ২০০১ সালের পর শচীন খেলেছেন শতাধিক টেস্ট, করেছেন ২৭টি সেঞ্চুরি। কিন্তু সর্বকালের সেরা ১০০ ইনিংসে ঢোকার মত? ২০০৪ সালে সিডনিতে খেলা ইনিংসটা থাকতে পারে, যেখানে ফর্মে ফেরার জন্য মরিয়া টেন্ডুলকার কভার ড্রাইভ বিসর্জন দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অপরাজিত ২৪১ এর ম্যাচটা দিনশেষে ড্র হয়েছিলো, ঠিক ম্যাচ জেতানো ইনিংস নয়, নয় ম্যাচ বাচানোও।

এখন আসছে আসল প্রশ্ন, কেন শচীন টেন্ডুলকার বড় ইনিংস খেলতে পারতেন না? অন্য কারো ক্ষেত্রে হলে চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারতাম, ধৈর্য বা মনোযোগের অভাব। কিন্তু যেই ছেলে স্কুল ক্রিকেটে ৬৬৪ রানের পার্টনারশিপ করতে পারে, তার আর যাই হোক, মনোযোগ বা ধৈর্যের অভাব, এ কথা বিশ্বাস করা যায় না।

অনেকেই এজন্য প্রথম যে কারণটির কথা বলেন, সেটি হলো ভারী ব্যাট। শচীন তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ব্যবহার করেন প্রায় দেড় কেজি বা সোয়া তিন পাউন্ড ওজনের ভারী ব্যাট, অথচ তার চেয়ে লম্বা জ্যাকব ওরামের ব্যাটের ওজন ছিল ১-১.২ কেজির মত। শচীনের এই ভারী ব্যাট নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির একবার ব্যাট করেছিলেন, অভিজ্ঞতাটা ভোলেননি আর। ১৯৯৬ ইংল্যান্ড সফরে প্রস্তুতি ম্যাচের আগে সৌরভের কোন ব্যাটই আর খেলার উপযুক্ত নেই, দেশ থেকে আনতে সময় লাগবে। তো শচীনের কাছে থেকে ব্যাট চাওয়ার পর ব্যাট হাতে নিয়ে সৌরভের মনে হলো, একি ব্যাট নাকি মুগুর!

প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ হ্যাম্পশায়ারের কোচ কাম প্লেয়ার তখন ও্যেস্ট ইন্ডিয়ান গ্রেট ম্যালকম মার্শাল। সোউরভ আতকে উঠলেন এই ভেবে, মার্শাল খেলবে নাকি! সৌরভকে স্বস্তি দিয়ে মার্শাল অবশ্য খেললেন না, তবে ইংলিশ বাহাতি ফাস্ট মিডিয়াম পেসার কেভান জেমস ৪ বলে ৪ উইকেট নিয়ে নিলেন, অন্য প্রান্তে থাকা সঊরভের টেনশন তখন উইকেটের চেয়ে ব্যাট নিয়ে। ভারী ব্যাটের মহিমা অবশ্য পরের ওভারে বুঝলেন, স্পিনার শন ইউডালকে স্টেপ ডাউন করে মিস হিট করার পরও বল মাঠের পাশের রাস্তায়।

অন্যদের তুলনায় বেশ ভারী ব্যাট ব্যবহার করতেন শচীন

সিডনি হেরাল্ডের স্পাইরো জিভোসের মতে, এই ভারী ব্যাটের জন্য যেসব ক্রস ব্যাটেড শট ডন ব্র্যাডম্যান বা লারা খুব সহজেই মারতে পারতেন, শচীনের জন্য তা ছিল দুরূহ। কাট এবং হুক করতে ব্যাট উঠানোর সময় ভারী ব্যাটের জন্য বেশ সমস্যা হতো এবং সেই ভারী ব্যাট দিয়েই এই ধরণের শট মারা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এবং এই ভারী ব্যাটের জন্য পেশীর ক্লান্তি আসতো অনেক বেশী, হাত ভারী হয়ে আসতো লম্বা ইনিংসের সময়, আর তখন যখন কাট, হুক বা একটু কষ্টসাধ্য শট মারতে যেতেন, পেশী তার ভার সহ্য করতে পারতো না। যার কারণেই, বড় ইনিংসের একটা পর্যায়ে গিয়ে টাইমিং এ গড়বড় করে ফেলতেন লিটল মাস্টার।

জিভোসের মতে, হালকা ব্যাট ব্যবহার করে শচীন আরো অনেক বেশী সফল হতেন। তবে, ভারী ব্যাটেই অভ্যস্ত শচীন কখনও হালকা ব্যাট ব্যবহার করেননি, তাই হালকা ব্যাট ব্যবহার করলে কি হতো, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

আরেকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে বলা যায় টেনিস এলবোর কথা, যা শচীনের হাত ধরে ক্রিকেট জগতে বিখ্যাত হয়েছে। সাধারণত টেনিস খেলোয়াড়দের কবজিতে এই সমস্যাটি হয়ে থাকে, তবে শচীনের এটি হয়েছিলো মূলত ভারী ব্যাট এবং ব্যাটের গ্রিপের নীচের দিকে গ্রিপ করার জন্য। এই টেনিস এলবোর অপারেশনের পরে শচীনের অবস্থা এমন হয়ে গিয়েছিলো, ছেলে অর্জুনের প্লাস্টিক ব্যাটটাও তুলতে পারছিলেন না।

পুরো ভারতবর্ষের মত তারও মাথায় ঘুরতে থাকে, এই কি তবে শেষ? বন্ধুদের নিয়ে গভীর রাতে লং ড্রাইভে গিয়েছেন, মাথার মধ্যে একটি চিন্তাই বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে, `আমি কি আর ক্রিকেট খেলতে পারবো না?` ; যার জন্য ক্রিকেট অক্সিজেন, তার জন্য ব্যাপারটা কতখানি ভয়ংকর, তা আমার আপনার পক্ষে বোঝা সম্ভব না। সৌভাগ্য, তার এবং আমাদেরও, যে শেষ হননি, তবে অপারেশনের পর যেটি হলো, বড় ইনিংস না খেলতে পারা বেড়ে গেল আরো।

অপারেশনের আগে ডাবল ৪টি, ১৫০+ ১৫টি, অপারেশনের পর ডাবল ২টি, ১৫০+ ৫টি। স্পষ্টতই, অবনতিটা দেখতে পাচ্ছেন। অবশ্য শুভংকরের ফাকিটা হচ্ছে এই, ১৯৮৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছেন ১২০টি, এরপর ৮০টি। অনুপাতে খুব কম বেশী নেই আসলে, তার উপর বয়স হচ্ছিলো। তাই টেনিস এলবোই একমাত্র দায়ী এই কথাটা আপনি চাইলেই বলে দিতে পারেন না, তবে হ্যা, অন্যতম কারণ নিশ্চয়ই।

টেনিস এলবো সার্জারির পর। সূত্র - emojisarebald.com

অথবা সত্যি হতে পারে কপিল দেবের করা সেই উক্তিও, যেখানে তিনি বলেন, শচীন ডাবল, ট্রিপল বা কোয়াড্রুপল করতে জানতেন না। তার মতে, শচীন মুম্বাই ক্রিকেটে আটকে গিয়েছিলেন, নিজেকে নির্দয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে প্রয়োগ করেননি। তার মতে, শচীন কিছু মুম্বাইবাসীর সাথে সময় না কাটিয়ে ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে আরো সময় কাটালে বেশ সহজেই এই কাজগুলো করতে পারতেন।

১৯৮৩ এর বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেন, শচীন সেঞ্চুরি করতে জানতেন, কিন্তু ডাবল ট্রিপল কোয়াড্রুপল না এবং শচীন তার প্রতিভার প্রতি অবিচার করেছেন। কপিল দেবকে সরাসরি কোট করলে, `আমাকে ভুল বুঝবেন না। কিন্তু আমার মনে হয় না শচীন তার প্রতিভার প্রতি সুবিচার করেছে। আমার সবসময়ই মনে হয়, সে যা করেছে তার চেয়ে সে অনেক বেশী করতে পারতো।`

কপিল দেবের মতে শচীন তার প্রতিভার মত সুবিচার করেননি। ছবিসূত্র – ডেইলি সান

এটা আসলেও একটি কারণ হতে পারে, হয়ত শচীনের মনোভাব মুম্বাই ক্রিকেট ছাড়িয়ে ভিভের মত ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলা মনোভাবে আসতে পারেনি। তবে, এই জায়গায়ও সন্দেহ ওঠে, যখন তিনি ওয়ানডেতে ২০০ করেন, স্যান্ডস্টর্ম নকের মত ইনিংস খেলেন। তবে টেস্টের ক্ষেত্রে প্রশ্নটা উঠলে, রানের খাতায় চোখ বুলোলে, রানের আধিক্যের মাঝে যখন ৩০০ এর ঘরটা খা খা করে, তখন আসলে মনে হয়, আসলেই কি শচীন ঠিক ততখানি নির্দয় ছিলেন, যতখানি হতে পারতেন?

না, ছিলেন না। কারণ ক্রিকেটটা তার কাছে আরাধনার, সাধনার বস্তু। ক্রিকেটটা তার কাছে ব্রায়ান লারার মত বিনোদনের জায়গা না, বরং ক্রিকেটটা তার অক্সিজেন। এর জন্যই ব্রায়ান লারা যখন বোলারদের সামনে দানবরূপ ধারণ করে তাদের ছাড়খাড় করেছেন, টেন্ডুলকার তা করেননি। বরং তিনি তাদের সম্মান জিতে হারিয়েই ক্ষান্তি দিয়েছেন। এর জন্যই লারা যেখানে ৩৭৫, ৪০০, ৫০১* করে নিজেকে মানব সামর্থ্যের শেষ সীমা পর্যন্ত টেনেছেন, টেন্ডুলকার পারেননি, হয়ত চাননি বলেই। তাই ইয়ান চ্যাপেলের মত সমালোচক বারবার শচীনের খুত ধরে গিয়েছেন, তার ভাই গ্রেগ প্রশ্ন তুলেছেন তার কমিটমেন্ট নিয়ে। কিন্তু তিনি ছিলেন অবিচল, ইঞ্জুরির পর মোহাম্মদ আসিফের বলে পালাচ্ছেন একথা শোনার পরও পিঠ ফিরিয়ে পালাননি।

নিজের শহরের পত্রিকা যখন "এন্ডুলকার" শিরোনাম দিয়ে তার শিক্ষানবিশের মত তার বোল্ড হওয়ার ছবি ছাপে, তখন তিনি মাটি কামড়ে পড়েছিলেন, চলে যাননি। ওয়াংখেড়েতে দুয়ো শুনেও তিনি দাতে দাত চেপেছিলেন। কারণ তিনি জানতেন, তিনি শচীন টেন্ডুলকার। তার নামের মাহাত্ম্য বোঝাতে স্ট্যাট লাগে না, নামটাই যথেষ্ট। তাই ২০১০ সালে টেস্টে ক্যারিয়ার সেরা বছর কাটালেন, ২০০৬ সালে `এন্ডুলকার` বলার ৪ বছর পর, ১৫৬২ রান, ৭ সেঞ্চুরি। উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক এর লিডিং ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ারও হলেন। এন্ডুলকার ঘোষিত হবার পরও হাজার দশেক রান, ২৭ সেঞ্চুরি আর ৪৮ ফিফটি, আপনার কি কিছু বলার আছে?

শচীন টেন্ডুলকার মানে শুধুই শচিন টেন্ডুলকার। ছবিসূত্র – pinterest

তাই সমালোচকদের সমালোচনা করতে দিন, আমার মত নিন্দুককে বারবার ওই `কিন্তু` নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দিন। ট্রিপল সেঞ্চুরি মেরেছিলেন কি মারেননি, সেটা দিয়ে তাকে কেউ মনে রাখবে না, অথবা কেউ মনে রাখবে না সেই ফালতু মিথ, শচীন সেঞ্চুরি করলে ভারত হারে। দিনশেষে আমরা সবাই মনে রাখবো, তিনি শচীন টেন্ডুলকার, যাকে নিয়ে ম্যাথিউ হেইডেন বলেছিলেন, ‘আমি ইশ্বরকে দেখেছি, তিনি ভারতের হয়ে টেস্টে ৪ নাম্বারে ব্যাট করেন’

সূত্র : শচীন রূপকথা - উৎপল শুভ্র, Sportskeeda, ইএসপিএনক্রিকইনফো, ক্রিকবাজ, ফার্স্টপোস্ট, বিবিসি, রেডিফ।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
জাবির 'এইচ' ইউনিটের ফল প্রকাশ
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে কিছু ভবিষ্যতবাণী!
নিখোঁজের ৩৭ বছর পর ফিরে এসেছিলো যে বিমান
ভাত খাওয়ার পর যেসব ভুল ডেকে আনছে মৃত্যু
শিরোনাম:
দিল্লি পৌঁছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এরশাদ ১ রানে বাংলাদেশের ১ উইকেটের পতন টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ সিরাজুল ইসলামকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র করা হয়েছে পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী