Exim Bank Ltd.
ঢাকা, রবিবার ২২ জুলাই, ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

শঙ্কায় কৃষক

সুলতান মাহমুদ, দিনাজপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে আগাম বৃষ্টি ও বৈশাখী ঝড়ো হাওয়া উপেক্ষা করেই পুরোদমে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান কাটা-মাড়াই।

আশানুরুপ ফলন হলেও শ্রমিক সংকট ও মুল্য নিয়ে শঙ্কায় কৃষক।

কৃষি অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী এ মৌসুমে উপজেলার ১৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ৮৪ হাজার ৭৫ মেট্রিকটন ধান ফলনের লক্ষমাত্রা নিয়ে আবাদ হয়েছে।

কৃষকের ঘাম ঝরানো প্রত্যাশিত ইরি-বোরো ধান ঘরে তোলা শুরু হলেও অসময়ের বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটসহ ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় নতুন ধান উঠার আনন্দ যেন, এখন হতাশার বালুচর। শ্রমিক সংকটে চড়া মজুরিতে ধান কাটা-মাড়াইয়ের খরচ মিটিয়ে ঘরে ধান না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়ছে অধিকাংশ কৃষক।

উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কৃষক মাহাবুবুর রহমান জানান, এই মুহূর্তে আগাম জাতের বগুড়ার জিরা, ব্রি-২৮ এবং হাইব্রিড ধান কাটা-মাড়াই চলছে। তবে ঘনঘন বৃষ্টির কারণে বাড়তি মজুরিতে ধান কাটা-মাড়াই করে কোনোভাবেই খরচ মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় এবার ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতেই ধানের দর বস্তা প্রতি প্রায় ২০০-৩০০ টাকা কমে প্রতিবস্তা নতুন ধান প্রায় ১৩০০-১৪০০টাকায় বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ধানের দাম কম থাকায় উৎপাদন খরচ না উঠার আশংকা রয়েছে বলে মনে করছেন কৃষক। মাহাবুবুর রহমান আরো বলেন, অসময়ের বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির কারণে একদিকে যেমন ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে অপরদিকে বাজার দাম কম হওয়ায় কৃষক কোনোভাবেই ব্যয় মেটাতে পারছে না।

একই কথা বলেন মাদিলাহাটে কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম, চিন্তামন রাধিকাপুরের আজিজুর রহমান ও সুজাপুরের সাজু ফকির।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ন মাঠ জুড়েই কেবল হলুদের ছটা, কিন্তু ফসলের ক্ষেতে হাঁটুপানি থাকায় কৃষক মাঠের ধান ঘরে আনতে বেশ সম্যসায় পড়ছে।

অন্যদিকে উপজেলার নারায়নপুর, লক্ষীপুর, মহাদীপুর, আর্দশগ্রাম, গড়পিংলাই, জয়নগর, বারাই পাড়াসহ ১২টি গ্রামে বৃষ্টির পানিতে ৭৭২ হেক্টরের মধ্যে ৮০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

এতকিছুর পরেও কৃষক এখন তার কষ্টের ইরি-বোরো ফসল ঘরে আনার কাজে দিনভর বোরো ক্ষেতের মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এটিএম হামীম আশরাফ বলেন, অবহাওয়ার কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে তবে অবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে এ সমস্যা থাকবে না। গতবছরের তুলনায় এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকলে সময়মত কৃষকরা তাদের ধান ঘরে তুলতে পারলে উপজেলার ১৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ৮৪ হাজার ৭৫ মেট্রিকটন ধানের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা পুরন সম্ভব হবে। কৃষকদের যে কোনো সমস্যায় সহহয়তা দিতে উপজেলা কৃষি অধিদফতর সবসময় তৎপর।জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাওয়া ধানগুলোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে কিছু ভবিষ্যতবাণী!
নিখোঁজের ৩৭ বছর পর ফিরে এসেছিলো যে বিমান
মীর জাফর ও তার সঙ্গীদের শেষ পরিণতি
ভাত খাওয়ার পর যেসব ভুল ডেকে আনছে মৃত্যু
শিরোনাম:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ২ শ্রমিকের মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি: ১৭ জেলে নিখোঁজ