শক্তিশালী অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহর অজানা অধ্যায়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৬ ১৪২৬,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

তার বাবা একজন সেনা কর্মকর্তা...

শক্তিশালী অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহর অজানা অধ্যায়

 প্রকাশিত: ১৩:২৯ ২১ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৩:২৯ ২১ জুলাই ২০১৮

অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ

অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ

বলিউডের একজন শক্তিশালী অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। ক্যারিয়ার জীবনে অনেক গুণগত ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন। ‘আক্রোশ’, ‘সারফারোশ’ ‘স্পর্শ’ ও ‘মির্চ মশলা’র মতো ছবিগুলোর নাম উঠলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে  তার নাম।

বলিউড কাঁপিয়ে হলিউডেও অভিনয় করেছেন তিনি। তিন তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ’সহ ভারতের সব গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারই রয়েছে তার ঝুলিতে।

১৯৫০ সালের ২০ জুলাই ভারতের উত্তর প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন এই শক্তিশালী অভিনেতা। আজ ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য থাকছে নাসিরুদ্দিন এক্সক্লুসিভ। যেখানে আলোকপাত করা হবে তার অনেক অজানা বিষয়। 

নাসিরুদ্দিন শাহ ঊনিশ শতকের বিখ্যাত আফগান যোদ্ধা জান ফিশান খান বা সৈয়দ মোহাম্মদ শাহ’র বংশধর। তার বাবা ছিলেন একজন সেনা কর্মকর্তা এবং মা ছিলেন গৃহিণী।

উত্তর প্রদেশের নৈনিতাল শহরের সেন্ট জোসেফ স্কুলে লেখাপড়া করেছিলেন এই অভিনেতা। পরবর্তীতে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর দিল্লীর ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন।

এদিকে সিনেমায় আসার আগে নাসিরুদ্দিন ছিলেন মঞ্চের শক্তিশালী অভিনেতা। ১৯৭৭ সালে বেঞ্জামিন গিলানি ও মার্কিন বংশোদ্ভূত ভারতীয় অভিনেতা টম অল্টারকে সঙ্গে নিয়ে ‘মটলি প্রোডাকশন’ নামে একটি নাটকের দল গড়ে তোলেন এই অভিনেতা। 

১৯৭৫ সালে ‘নিশান্ত’ ছবিতে ছোট্র একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন নাসিরুদ্দিন শাহ। এরপর মাত্র ১৮ বছর বয়সে রাজ কাপুর ও হেমা মালিনি অভিনীত ‘স্বপ্ন কি সওদাগর’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু ছবিটি মুক্তির আগে তার অভিনীত দৃশ্যগুলো বাদ দেয়া হয়।

এদিকে নাসিরুদ্দিন শাহ এবং ওম পুরিকে ভারতীয় আর্ট ফিল্মের সবচেয়ে শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তারা দু’জনই দিল্লীর ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায় একসঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে নাসিরুদ্দিন শাহ কখনো অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে অভিনয় করেননি। মাত্র ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন তিনি। তবে তার স্ত্রী মানারা সিক্রি ওরফে পারভিন মুরাদ ছিলেন এই অভিনেতার থেকে ১৬ বছরের বড়। কিন্তু নাসিরুদ্দিনের পরিবারের অমতে ওই বিয়ে মাত্র এক বছর টেকে।

সেই এক বছরে নাসিরুদ্দিন ও মানারার সংসারে হীনা নামে একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। বিচ্ছেদের পর মানারা হীনাকে নিয়ে ইরানে চলে জান। ইরানেই নব্বইয়ের দশকে মানারার মৃত্যু হয়।

এরপর ১৯৮২ সালে অভিনেত্রী সুপ্রিয়া পাঠককে বিয়ে করেন নাসিরুদ্দিন শাহ। তাদের ঘরেও রয়েছে দুই সন্তান। তারা হলেন ইমাদ ও ডিভান শাহ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই