লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

ঢাকা, বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ৩১ ১৪২৭,   ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:০১ ২৯ মে ২০২০   আপডেট: ০২:১৩ ২৯ মে ২০২০

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত হয়েছেন। পাচারকারীরা ত্রিপলি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে তাদের হত্যা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্য কোনো দেশে তাদের পাচার করা হচ্ছিল। কোনো ঝামেলা হওয়ায় পাচারকারীরা তাদের হত্যা করেছে।

দেশটির মিজদা শহরে বৃহস্পতিবার এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় আরো ১১ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সব অভিবাসী মিজদা শহরের এক মানবপাচারকারীচক্রের কাছে জিম্মি ছিলেন। কোনোভাবে ওই পাচারকারী মঙ্গলবার রাতে অভিবাসীদের হাতে খুন হন। পরে পাচারকারীর সহযোগী এবং আত্মীয়স্বজনরা জিম্মি অভিবাসীদের ক্যাম্পে নির্বিচারে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ২৬ জন বাংলাদেশীসহ ৩০ জন মারা যান।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বাংলাদেশিসহ ওই অভিবাসীদের মিজদা শহরের একটি জায়গায় টাকার জন্য জিম্মি করে রেখেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ নিয়ে একপর্যায়ে ওই চক্রের সঙ্গে মারামারি হয় অভিবাসী শ্রমিকদের। এতে এক মানবপাচারকারী মারা যায়। তারই প্রতিশোধ হিসেবে সেই মানবপাচারকারীর পরিবারের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ বিষয়ে লিবিয়ার পশ্চিমা-সমর্থিত জাতীয় সরকার (জিএনএ) জানিয়েছে, মানবপাচারকারী চক্র ও অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে যে বিরোধ চলে আসছিল, তার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। 

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) লিবিয়া কার্যালয়ের মুখপাত্র সাফা সেহলি বলেন, আমরা এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবরটি শুনেছি এবং বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। যারা বেঁচে গেছেন তাদের পাশে আছে আইওএম।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ