লাভের আশায় অন্য ফসল চাষ

ঢাকা, সোমবার   ১৭ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

লাভের আশায় অন্য ফসল চাষ

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১২:২৮ ১১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১২:২৮ ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে প্রচুর সরিষা চাষ হয় এ বাক্য পুরনো। নাঙ্গলকোটের অধিকাংশ এলাকায় সরিষার কম দাম, খরচ বেশি ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় লোকসানে কৃষকরা। তাই অন্য ফসল চাষে ঝুঁকছেন তারা। 

উপজেলারতালেচৌ গ্রামের চাষি সাগর বলেন, গত দুই বছরধরে দুই একর জমিতে সরিষার চাষ করি। এতে খরচ হয় ২০ হাজার টাকা।কিন্তু অধিক বৃষ্টি, ঘন কুয়াশায় ফুল নষ্ট হয়। ও বিভিন্ন রোগের কারণে লোকসান দিয়েছি। তাই এখন থেকে সরিষা চাষ করব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ধান করেও তেমনসুবিধা পাই না। কৃষি অফিস থেকে কোনো প্রনোদনা পান কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি প্রতি বছর প্রায় ৩-৫ একর জমিতে ধান ও সরিষার মৌসুমে ২একর জমিতে সরিষা করি। কিন্তু বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার।  কৃষি অফিসথেকে কিছুই পাই না।

এ বিষয়ে দৌলখাঁড় ইউপির উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. ফারুক হোসাইন বলেন, এক সময় এ উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে সরিষা চাষ হত। গতদুই বছর ধরে অধিক বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় কৃষকরা আগেরছে তুলুনামূলক সরিষা কম চাষ করছে। তারা ঝুঁকচ্ছে অন্যন ফসল চাষের দিকে।

উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আফাজ উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে পুরো উপজেলায় ৫ শত ৮০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা আগের তুলুনায় অনেক কম। আউস, আমন ও বোয়ো এ তিনটি মৌসুমে কৃষকরা ধান বেশি করে। যেমন চলতিবোরে মৌসুমে ১২ হাজার ৫ শত ৫০ হেক্টর জমিতে ধান করবে। আমন ও বোরো মাঝামাঝি সময় সরিষা করত। এবার ধান কাটতে একটু দেরি হওয়া তেমন কোনো সরিষা চাষ হয়নি। আমরা কৃষি অফিস থেকে চাষিদের উচ্চ ফলনশীল বারি ৯, ১৫, বিনা ৪, ১৪ বিএডিসি ১, এবং দেশি টরেন্টা জাতের সরিষা চাষ করত পরামর্শ দিচ্ছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম