Alexa লক্ষ্য যাদের নোবিপ্রবির ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিট

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২২ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৬ ১৪২৬,   ২২ সফর ১৪৪১

Akash

লক্ষ্য যাদের নোবিপ্রবির ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিট

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:০৮ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ১ ও ২ নভেম্বর।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে আছে ‘এ’ ইউনিট। আবেদনের যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৩সহ মোট ৬.৫ থাকতে হবে।

এই অনুষদে পড়ানো হয় কম্পিউটার সাইন্স, ইনফরমেশন সাইন্স, এপ্লায়েড কেমিস্ট্রি, এপ্লায়েড ম্যাথ, ইইই, পরিসংখ্যান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।

কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে?
এই ইউনিটের পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, জীব, গণিত থেকে ২৫টি করে মোট ১২৫টি প্রশ্ন থাকবে। যে কোনো চারটির উত্তর করতে হবে। সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। কোনো নেগেটিভ মার্ক নেই।

পদার্থ, গনিত এবং রসায়ন মাস্ট উত্তর দিতে হবে।

সহায়ক বইগুলো
পদার্থ বিজ্ঞানের মূল বই এর পাশাপাশি DU বিগত সালের প্রশ্ন দেখে নিতে পারো। জয়কলি পদার্থ বিচিত্রা গাইড বই থেকেও কমন আসে। ম্যাথ একটু বেশি আসবে।

রসায়নের মূল বই এর পাশাপাশি জয়কলি বিচিত্রা থেকেও প্রশ্ন থাকে। পড়তে হবে প্রতিটা বিক্রিয়া ভালোভাবে।

বায়োলজির মূল বই এর পাশাপাশি network বই থেকে প্রায় ৫০% কমন থাকে। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিটা প্রশ্নের শেষে যে Hints দেয়া থাকে সেটাও পরে নিতে হবে।

ম্যাথ থেকে সাধারণত ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে। ভালোভাবে শিখে রাখো সূত্র গুলোই মাঝে মাঝে সরাসরি সূত্র চলে আসে। কমন পেতে পারো DU র আগের বছরের প্রশ্ন থেকেও।

বাংলা মূল বই এর পাশাপাশি ৯-১০ শ্রেণির বাংলা গ্রামার বইটাও পরে নাও।

ইংরেজি এর জন্য APEXই যথেষ্ট। জয়কলির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিচিত্রার প্রশ্নগুলোর সমাধান বাড়িয়ে দিবে তোমার কনফিডেন্স। তাই এটা সমাধান করতে পারো

পাশ মার্ক এবং কত পেলে চান্স পাওয়া যাবে?-
মোট পাশ নম্বর ৪০ পেতে হবে। মোটামুটি ১৬৫+ স্কোর থাকলে সাবজেক্ট আশা করা যায়।

পরীক্ষার সময়: ১ নভেম্বর ২০১৯ সকাল ১০টা ৩০ মিনিট ১২টা।

বায়োলজিক্যাল অনুষদে আছে ‘বি’ ইউনিট।

যা পড়ানো হয়, ফার্মেসি, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ডি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইক্রোবায়োলজি, বায়ো কেমিস্ট্রি অ্যান্ডি মলিকুলার বায়োলজি।

আবেদনের যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৩:০০সহ মোট জিপিএ ৬.৫ থাকতে হবে। (৪র্থ বিষয় সহ)।

‘এ’ ইউনিট ও ‘বি’ ইউনিটের প্রস্তুতি প্রায় একই শুধু ম্যাথ থেকে সাধারণত ছোট ছোট প্রশ্নই থাকে। ভালোভাবে শিখে রাখো সূত্রগুলোই মাঝে মাঝে সরাসরি সূত্র চলে আসে। কমন পেতে পারো DU’র আগের বছরের প্রশ্ন থেকেও।

পাশ মার্ক এবং কত পেলে চান্স পাওয়া যাবে?
পাশ নাম্বার ৪০। মোটামুটি ১৬৫+ পেলে সাবজেক্ট আশা করা যায়। পরীক্ষা হবে ১ নভেম্বর। বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে চারটা।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম