ঢাকা, বুধবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৫,   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

মানুষের আস্থার শেষ ভরসা লাঙ্গল: হাওলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক :: staff-reporter

 প্রকাশিত: ১৬:৪৫ ৯ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১৬:৪৫ ৯ অক্টোবর ২০১৮

জাতীয় পার্টির বিশেষ সভায় বক্তব্য রাখছেন দলের মহাসচিব  ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

জাতীয় পার্টির বিশেষ সভায় বক্তব্য রাখছেন দলের মহাসচিব ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, সব দলের অংশ গ্রহণে অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচন চায় জাতীয় পার্টি। তিনি বলেন, এবার মানুষের আস্থার শেষ ভরসা লাঙ্গল। তাই আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে পল্লীবন্ধুর নেতৃত্বে শান্তিময় নতুন বাংলাদেশ গতে তোলা হবে। 

মঙ্গলবার সকালে কাকরাইলস্থ জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২০ অক্টোবরের সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

হাওলাদার বলেন, বিগত সাতাশ বছরে দুটি দল গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে দেশের মানুষের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে অধিকার বঞ্চিত করেছে। তাই আগামী নির্বাচন জাতীয় পার্টিই মানুষের একমাত্র সম্ভাবনাময় ভরসা।
 
তিনি আরো বলেন, আগামী ২০ অক্টোবর দেশের মানুষকে ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দেয়া হবে। উজ্জীবিত নেতাকর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ মহাসমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করবে।

জাপা মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পল্লীবন্ধু নির্বাচন এবং জোট গঠন নিয়ে কথা বলবেন। তুলে ধরবেন, দেশ গঠনে তার পরিকল্পনা। দেশের মানুষের স্বপ্নের কথাগুলো বলবেন এরশাদ। এবার জনগণ চায়, এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সরকার। কারণ, মানুষ মনে করে এরশাদই পারেন অভিজ্ঞতা দিয়ে শান্তিময় নতুন বাংলাদেশ গড়তে। জাপার এই শীর্ষনেতা বলেন, ২০ অক্টোবরের সমাবেশ দেশের রাজনীতিতে নতুন চমক সৃষ্টি করবে।

দলের ঐক্য ও সংহতি প্রসঙ্গে রুহুল আমিন বলেন, প্রেসিডিয়াম সভায় পার্টির শীর্ষনেতারা সবাই এক হয়ে পল্লীবন্ধুকে নির্বাচন, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্তকরণ এবং জোট গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিতে বিভেদ বা বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। রওশন এরশাদসহ আমরা সবাই এরশাদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। 

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস.এম ফয়সল চিশতী।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মোঃ শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, জহিরুল ইসলাম জহির, আরিফুর রহমান খান, আলমগীর সিকদার লোটন, নুরুল ইসলাম নুরু, সরদার শাহ জাহান ও মোঃ এমরান হোসেন মিয়া।

যুগ্ম-মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, শেখ আলমগীর হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফিক, দিদারুল কবির দিদার, আশরাফ সিদ্দিকী, জহিরুল আলম রুবেল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শফিউল্লাহ শফি, মনিরুল ইসলাম মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইসহাক ভুইয়া, আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, মোবারক হোসেন আজাদ, ফখরুল আহসান শাহজাদা, আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, নির্মল দাশ, হারুন অর রশিদ, হাজী ফারুক আহমেদ, মোঃ হেলাল উদ্দিন, একেএম আশরাফুজ্জামান খান, সুলতান মাহমুদ, মোঃ বেলাল হোসেন, নিগার সুলতানা রানী, আজিজ, এমএ রাজ্জাক খান, হুমায়ুন খান, শারমিন পারভীন লিজা, সৈয়দা পারভিন তারেক, মনোয়ারা তাহের মানু, ডাঃ সেলিমা খান, মাহমুদা রহমান মুন্নি, গোলাম মোস্তফা, মোঃ জামাল রানা, সুমন আশরাফ, এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, রেজাউল করিম, আখতার হোসেন খান, কেন্দ্রীয় নেতা সামছুল হুদা, এনাম জয়নাল আবেদীন, আলাউদ্দিন মৃধা, আব্দুস সাত্তার গালিব, মাহমুদ আলম, রেজাউর রাজী স্বপন চৌধুরী, আ.জা.ম অলিউল্লাহ চৌধুরী মাসুদ, ফারুক আহমেদ, সুজন দে, সাইফুল্লাহ খালেদ, মাসুদুর রহমান মাসুম, শফিকুল ইসলাম দুলাল, আব্দুল লতিফ রানা, মোঃ নজরুল ইসলাম, ঝোটন দত্ত, ইকবাল আলমগীর, মোঃ দ্বীন ইসলাম শেখ, জহিরুল ইসলাম জহির,  জেসমিন নুর প্রিয়াংকা, মিনি খান, তাসলিমা আকতার রুনা ও মন্টু চৌধুরী প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে