লক্ষ্মীপুরে জমজমাট শীত বস্ত্রের বাণিজ্য

ঢাকা, শনিবার   ২৫ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৬,   ১৯ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

লক্ষ্মীপুরে জমজমাট শীত বস্ত্রের বাণিজ্য

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৪:৫১ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৬:৫৬ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর শীতের আগমনে সেখানেও অনুভ‚ত হচ্ছে ঠান্ডা। বইছে হিমেল হওয়া। শীতে উষ্ণতা পেতে এর মধ্যে শুরু হয়েছে শীতের কাপড় কেনাবেচার ধুম। সামর্থ্যনুযায়ি কেউ ফুটপাতে কেউ শপিং মলে ছুটছেন। সঙ্গে জমে উঠেছে লেপ-তোশকের বাণিজ্য। এমন চিত্র দেখা গেছে লক্ষ্মীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায়।

শহরের ফুটপাতে শীত বস্ত্রের স্তুপ। দোকানগুলোতে বাহারী ধরনের শীতবস্ত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে কম আয়ের লোকজন কম দামে কিনছেন শীতের কাপড়। শহরের তমিজ মার্কেট, গো-ডাউন রোড, রামগতি বাসস্ট্যান্ড, পৌর মার্কেট, উত্তর তেমুহনী, ঝুমুর সিনেমা হল এলাকায় দোকানিরা শীতের বাহারী পোশাক সাজিয়ে হাঁকডাক দিচ্ছেন। নিম্ন আর মধ্যবিত্তরাও শীতের কাপড়ের চাহিদা মেটাতে দ্বারস্থ হচ্ছেন সব ফুটপাতে।

ফুটপাতের বিক্রেতারা বলছেন, তাদের বেশিরভাগ পোশাক বিদেশ থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসে। সেখান থেকে এগুলো লট হিসেবে কিনে কম দামে। পরে বিক্রি করেন তারা। সস্তায় হলেও এর মান খুবই ভালো। কম আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্তরাই মূলত তাদের ক্রেতা বলে জানান তারা।

নিম্ন আয়ের লোকজন জানান, ফুটপাতই আমাদের ভরসা। বড় দোকানে গিয়ে কেনার সামর্থ্য নেই। তাই রাস্তার পাশ থেকে সস্তায় শীতের কাপড় ক্রয় করি। এ ছাড়া জেলার অভিজাত শপিংমল গুলোতেও শীতের কাপড়ের বেচাকেনা জমে উঠেছে। প্রতিটি দোকানে শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

এদিকে, শীতের আগমনে লেপ-তোশকের কারিগররাও এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। লেপ-তোশকের চাহিদা বাড়তে থাকায় স্থানীয় বাজারে এরই মধ্যে বিক্রিও শুরু হয়ে গেছে বলে জানান বিক্রেতারা।

বিভিন্ন স্থানে লেপ-তোশক বিক্রি করতে কারিগররা তৈরী করে মজুত করছেন। আবার অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার শীত নিবারণ করতে কাঁথা সেলাই করছেন। শীত এলে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে কাঁথা সেলায়ের এক প্রকার প্রতিযোগিতা দেখা যায়। অনেকে আবার কাঁথা সেলাই করে বাড়তি আয় করছেন।

স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, সাধারণত কাপড় ও তুলার মান বুঝে লেপ-তোশকের দাম নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে ৪-৫ হাত লেপ-তোশক ১৫‘শ থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কাপড় ও তুলার দাম বেশি হওয়ায় দাম একটু বেশি বলে জানান তারা। তারপরও চাহিদার কমতি নেই।

অন্যদিকে, গ্রামাঞ্চলে তৈরি হওয়া একটি কাঁথার মজুরি নিচ্ছেন ৮‘শ থেকে ১হাজার টাকা। কাঁথা সেলাইয়ের কাজ করে গ্রামাঞ্চলের গৃহিনীরা বাড়তি টাকা আয় করছেন।

পৌর শহরের লেপ-তোশকের দোকান মালিক জাহিদুল হক ও আনোয়ার মিয়া বলেন, সময় মতো লেপ-তোশক ডেলিভারি দিতে অতিরিক্ত কারিগর রেখেছি। অন্য সময়ের চেয়ে এখন ভাল অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে। সারা বছরের তুলনায় এ সময় বেশি কাজ করতে হয় কারিগরদের, তাতে আয়ও ভালো হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ

Best Electronics