Alexa লক্ষাধিক টন আমন চালের প্রত্যাশা

ঢাকা, শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৪ ১৪২৬,   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

লক্ষাধিক টন আমন চালের প্রত্যাশা

 প্রকাশিত: ২০:১৪ ১৯ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ২০:১৬ ১৯ জুলাই ২০১৮

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

পিরোজপুরে  চলতি আমন চাষ মৌসুমে ৬১ হাজার ৬৫৯ হেক্টরে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জেলার সাত উপজেলার প্রতিটির আমন চাষের ও আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমনের মধ্যে উফশী, হাইব্রিড ও স্থানীয় জাত রয়েছে।

জেলার ৫২টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভায় একযোগে বীজতলা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চাষিরা। এ পর্যন্ত সবকিছুই চাষিদের অনুকূলে রয়েছে বলে পিরোজপুর পৌর এলাকার আমন ধান চাষি রতন ঢালী জানান।

সদর উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৭০ হেক্টরে। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯টন। অনুরূপভাবে ইন্দুরকানীতে ৫ হাজার ৩৭০ হেক্টরে ৮ হাজার ৭৬০ টন, কাউখালীতে ৪৫০০ হেক্টরে ৭ হাজার ৪৮ টন, নেছারাবাদে ৬৬০০ হেক্টরে ১০ হাজার ১০৫ টন, নাজিরপুরে ৬ হাজার ৭৭৯ হেক্টরে ১৩ হাজার ১৬৭  টন, ভান্ডারিয়ায় ৮ হাজার ৮০ হেক্টরে ১২ হাজার ৩৩৮ টন ও মঠবাড়িয়ায় ২০ হাজার ১৯০ হেক্টরে ৩৭ হাজার ৫৩২ টন চাষের ও চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মো. জাফর জানান, উন্নত মানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় ১৮০টি এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের ক্ষুদ্র চাষিদের জন্য সহায়ক প্রকল্পের আওতায় ৩২টি প্রদশর্নী প্লট তৈরি করা হবে। এসব প্লটের মধ্যে এক একরের ১৮০টি এবং ৫০ শতাংশের ৩২টি প্লট থাকবে। সরকার এসব প্রদশর্নী প্লটের জন্য বীজ, সার, ওষুধ বিনামূল্যে চাষিদের সহায়তা করবে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ৩৭টি কৃষক প্রশিক্ষণ স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। আবু হেনা মো. জাফর জানান, আমনের বীজ বপণ থেকে শুরু করে ধান মাড়াই পর্যন্ত এসব স্কুলের প্রত্যেকটিতে ৫০জন কৃষাণ-কৃষাণী হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। প্রতি সপ্তাহে দুইদিন আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাষ্টার ট্রেনি এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা। কৃষাণ-কৃষাণীদের সুবিধামত সময় এসমস্ত প্রশিক্ষণ ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে এবং এদের প্রতিদিন ৭০ টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা দেয়া হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অরুণ রায় জানান, এ জেলায় চাষে ৯০ ভাগ এবং ধান মাড়াইতে ৯৫ভাগ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। খুব দ্রুতই শতভাগ কৃষক এসব পদ্ধতি ব্যবহার করবে। জেলা-উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আমন চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সার বীজ সহজলভ্য হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষাবাদের এবং চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ