ঢাকা, বুধবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৫,   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

জাপার প্রার্থী আবুল কাশেমের নির্বাচনী গণসংযোগ

গুরুদাসপুর, নাটোর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:৪৫ ৭ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১৫:৪৫ ৭ অক্টোবর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় পার্টির (জাপা) আবুল কাশেম সরকার নাটোর-৪ আসনে গণসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি জাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর-৪ আসনের দুইবার নির্বাচিত সাবেক এমপি। 

দলীয় প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল, মিটিং, কমিটি গঠন, উঠান বৈঠক, পথসভা, অফিস উদ্বোধন, দলীয় প্রচারণামূলক লিফলেট বিতরণসহ কেন্দ্রভিত্তিক গণসংযোগ করছেন।

গুরুদাসপুরে মোট ভোটার সংখ্যা ১,৬৯,০১২জন ও বড়াইগ্রামের ভোটার সংখ্যা ২,১২,০৪১জন। বড়াইগ্রামে ভোটার সংখ্যা বেশি হলেও তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবুল কাশেম সরকার জাপার মনোনিত হন।

১৯৮৬ সালে মাত্র ৩০বছর বয়সে তিনি প্রথম এমপি নির্বাচিত হন। দুই বছর পর সংসদ ভেঙে দেয়ায় ১৯৮৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো এমপি নির্বাচিত হন তিনি। দুই মেয়াদে এরশাদ সরকারের ৯বছরের শাসন আমলে ৪ বছর দায়িত্ব পালন করেন আবুল কাশেম সরকার।

এবার নাটোর-৪ আসনে জাপার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আবুল কাশেম সরকারকে সমর্থন জানাচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের দাবি, আবুল কাশেম সরকারকে মনোনয়ন দিলে জাপা’র বিজয় নিশ্চিত হবে এবং হারানো আসনটি পুনরুদ্ধার হবে। অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে এ আসনে জাপার ভরাডুবি ঘটবে। তিনি এমপি থাকা আবস্থায় তাঁর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়ন, মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ঘুষ-দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে তাকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান নেতাকর্মীরা। 
আবুল কাশেম সরকার বলেন, নির্বাচন একক বা জোটগত যেভাবেই হোক না কেন আমি মনোনয়ন পাবো। নাটোর-৪ আসনের জনগণ বিপুল ভোটে আমাকেই নির্বাচিত করবেন। 

তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু এরাশাদের হাতেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গোড়াপত্তন হয়েছিল। এখন তাঁর সময়ে ঘটে যাওয়া উন্নয়নেরই পুনঃসংস্কার চলছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের জনক এরশাদকে প্রয়োজনে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।

জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নাটোর জেলার সভাপতি মজিবুর রহমান সেন্টু বলেন, কেন্দ্র আমার কাছে প্রার্থী তালিকা চাইলে নাটোর-৪ আসন থেকে আবুল কাশেম সরকারকে মনোনয়নের জন্য সুপারিশ পাঠাই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে