Alexa রোহিঙ্গা শিবিরে এক বছরে ১৮ খুন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

রোহিঙ্গা শিবিরে এক বছরে ১৮ খুন

 প্রকাশিত: ১৬:২৪ ২৮ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৬:২৪ ২৮ আগস্ট ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে গত এক বছরে ১৮জন খুন হয়েছে। একই সময় নানা অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা।  এরফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। 

জেলা পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে গত এক বছরে আশ্রয় শিবিরে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দে ১৮ জন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে। রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিরুদ্ধে ২৩৮টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে মাদক মামলা ৬৮টি।  একটি গণধর্ষণসহ ৬টি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। বাকীগুলো ডাকাতি, মারামারি, চোরা চালানসহ অন্যান্য। এসব মামলায় গ্রেফতার হয়েছে ১২২ রোহিঙ্গা।

প্রায়ই ঠুনকো বিষয়ে খুনোখুনিতে জড়িয়ে পড়ে রোহিঙ্গারা। অল্প জায়গায় বিশাল জনগোষ্ঠীর হওয়ায় এসব ঘটনা সহজে প্রতিরোধ করা সহজ নয় বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংশ্লিষ্টরা বলছে- বন, পাহাড় ও কৃষিজমি ধ্বংস হওয়ায় মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে পরিবেশ। পাশাপাশি সংক্রামক ব্যাধি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশঙ্কা তো রয়েছেই। সমস্যা মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

এছাড়া কোনো কাজ না থাকায় রোহিঙ্গারা জড়িয়ে যাচ্ছে ডাকাতিতে। গভীর রাতে হানা দিয়ে সর্বস্ব ডাকাতি করে নিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা।

গত ২৩ আগষ্ট টেকনাফের নতুন পল্লানপাড়া এলাকায় এমন একটি ঘটনা ঘটে। সেই এলাকার হাজী বশিরের বাড়িতে হানা দেয় রোহিঙ্গাদের সংঘবদ্ধ একটি দল। পরে বাড়ির মালিক ও স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় হাজী বশিরের পরিবারে ডাকাত আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মধূরছড়া-২ আশ্রয় শিবিরের হেড মাঝি জাহিদ হোসেন বলেন, ‘খারাপ মানুষ তো সব জায়গায়ই আছে। তাছাড়া, শরণার্থী শিবিরে অনেকেরই মাথা ঠিক থাকে না।’

জেলা পুলিশ সূত্র আরও জানায়, কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ৩০টি আশ্রয় শিবির রয়েছে। এসব শিবিরে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ১ হাজারের কম।

গত মে মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু অদ্যাবদি এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন নেই। এরফলে রোহিঙ্গাদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কক্সবাজারের এসপি ড. একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের কিছু কিছু আশ্রয় শিবির পাহাড়ের দুর্গম এলাকায়। আশ্রয় শিবিরগুলোতে নেই কোনো ধরণের নিরাপত্তা বেষ্টনি। রাতের বেলায় কে ঢুকছে বা বের হচ্ছে এসব সনাক্ত করা কঠিন। তারপরও পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে/আরআরূ