Alexa রোহিঙ্গা ভরণ-পোষণে বাংলাদেশের বাড়তি ব্যয় ৪৫০ কোটি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

রোহিঙ্গা ভরণ-পোষণে বাংলাদেশের বাড়তি ব্যয় ৪৫০ কোটি

 প্রকাশিত: ২১:২৮ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ২১:৩১ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ভরণ-পোষণ এবং পুনর্বাসনে প্রতি মাসে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রোহিঙ্গা সংখ্যা বাড়লে ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এতে বাংলাদেশকে বেগ পেতে হবে। ইতোমধ্যে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার ক্ষত এখনও শুকায়নি। বন্যা পরবর্তী চালের বাজারেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। রোহিঙ্গাদের আগমণে সেই চাল বাজার এখন উর্ধগতি। বাজারে মোটা চালের কিলো ৫০ টাকা ছাড়িয়েছে। এর কমে বাজারে চাল মিলছে না। সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা বলা হলেও কোনো কাজে আসছে না।

অন্যদিকে দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে। সঙ্গে নতুন করে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে। আশির দশকের পর বাংলাদেশে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে আসছে। জাতিপুঞ্জের হিসেব অনুযায়ী, এই দফায় রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। মাত্র এক মাসেই টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছে প্রায় ৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে। এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দেওয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই। আবার পর্যাপ্ত বৈদেশিক সাহায্যও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বাড়তি চাপ পড়ছে দেশের অর্থনীতিতে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, নতুন করে আশ্রয় নেয়া প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার শরণার্থীর জন্য এখনই সরকারকে মাসে অতিরিক্ত প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার জোগান দিতে হবে। এর বাইরে গৃহ ও সুপেয় পানির (গভীর নলকূপ স্থাপন) ব্যবস্থা করতে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা, শরণার্থীর ওপর সতর্ক নজরদারি ও নিবন্ধনসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডের জন্যও বেশ বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হবে।

শনিবার জাতিপুঞ্জের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন থেকে দুই লাখ ৯০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। এই রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের প্রয়োজন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই