Alexa রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট, আটক আরো এক

ঢাকা, সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪২৬,   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট, আটক আরো এক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৪২ ১২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২৩:৪০ ১২ নভেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরির সহযোগী দীন ইসলাম

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরির সহযোগী দীন ইসলাম

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরিতে সহযোগিতা করার অপরাধে দীন ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাব। মতিঝিল দিলকুশা থেকে তাকে আটক করা হয়। 

এর আগে বাসাবো থেকে আটক করা হয় আতিকুর রহমান নামে আরেক ব্যাক্তিকে। র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. মহিউদ্দিন ফারুকী ডেইলি বাংলাদেশকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে রাজধানীর বাসাবোর নাভানা টাওয়ারের আজিজিয়িা ট্রাভেলিং এজেন্সি থেকে এর মালিক আতিকুর রহমানকে আটক করা হয়। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট, জাল ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ওই অফিস থেকে বিদেশে টাকা পাচারেরও বেশ কিছু আলামত পাওয়া যায়। 

ওই অভিযানের সূত্র ধরে রাতে অভিযান চালানো হয়, দিলকুশা ইউস্কেল নামে আরকেটি প্রতিষ্ঠানে। সেখান থেকে ৩০টি পাসপোর্ট, ৫০ হাজার টাকা ও বেশ কিছু জন্ম নিবন্ধ সার্টিফিকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিন ইসলামকে সেখান থেকে আটক করে র‌্যাব।

জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ থেকে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়ার উদ্দেশ্যে জন্ম সনদ ও ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করে দেয়া চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বেরিয়ে আসে আতিকুরের নাম। আতিকুরের সূত্র ধরে পরে আটক করা হয় দীন ইসলামকে।

ধারণা করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়া যে কয়েকটি চক্র রাজধানীতে সক্রিয় আছে তাদের মধ্যে আটক এ দুই ব্যক্তি অন্যতম। 

আতিকুরের দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যংকে গচ্ছিত আছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। প্রাথমিকভাবে র‌্যাব জানতে পারে, আতিকুরের ইসলামী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সোমবার ৭০ লাখ টাকা ট্রান্সফার হয়েছে। ওই একই ব্যাংকে অতিকুরের নামে ৫০ লাখ টাকার এফডিআর এর সন্ধান মিলেছে। এছাড়া কয়েকদিন আগে অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরে ৬০ হাজার ডলার পাচার করা হয়েছে বাসাবোর অফিস থেকে। 

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্যাংকে ৪ লাখ ২৭ হাজার ডলার এবং সিঙ্গাপুরের আরেকটি ব্যাংকে তার নামে ৬০ হাজার ডলারের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের একটি ব্যাংকে তার নামে রয়েছে আরো ৭০ লাখ টাকা। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় তার একটি বাড়িও রয়েছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে আরো ব্যাপক অনুসন্ধান করছে র‌্যাব।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসসি/এমআরকে/আরএইচ